President: মুখ্যমন্ত্রী জেলায় গেলে যদি জেলাশাসক বলে ‘অন্য কাজ আছে’, কেমন লাগবে? রাষ্ট্রপতির প্রোটোকল বিতর্কে প্রশ্ন জহর সরকারের

প্রোটোকল সম্পর্কে বলতে গিয়ে জহর সরকার বলেন, "সৌজন্য দেখানো হয়নি। এটা দৃষ্টিকটু লাগল। মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত থাকতেই পারেন, তাহলে অন্য় কোনও সিনিয়র মন্ত্রীকে পাঠাতে হত।" তাঁর কথায় ভারতের সংবিধান রক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সৌজন্যের বিষয় আছে।

President: মুখ্যমন্ত্রী জেলায় গেলে যদি জেলাশাসক বলে অন্য কাজ আছে, কেমন লাগবে? রাষ্ট্রপতির প্রোটোকল বিতর্কে প্রশ্ন জহর সরকারের

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Mar 08, 2026 | 5:23 PM

কলকাতা: ‘আপনি একবার আসুন আমরা রিসিভ করব, ৫০ বার এলে কী করে যাব? আমার কি কাজকর্ম নেই!’ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর উদ্দেশে এমনটাই বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী না অন্য কোনও মন্ত্রী কেন তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে জবাব দিতে গিয়েই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধরনা মঞ্চে আছেন বলে তাঁর পক্ষে যাওয়া সম্ভব হয়নি। যদি এমন কথা কোনও জেলাশাসকের কাছ থেকে শুনতে হত মুখ্যন্ত্রীকে? এমন প্রশ্নই তুললেন প্রাক্তন আমলা তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ জহর সরকার।

প্রোটোকল সম্পর্কে বলতে গিয়ে জহর সরকার বলেন, “সৌজন্য দেখানো হয়নি। এটা দৃষ্টিকটু লাগল। মুখ্যমন্ত্রী ব্যস্ত থাকতেই পারেন, তাহলে অন্য় কোনও সিনিয়র মন্ত্রীকে পাঠাতে হত।” তাঁর কথায় ভারতের সংবিধান রক্ষার ক্ষেত্রে কিছু সৌজন্যের বিষয় আছে।

তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি যতবার আসেন, ততবার রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের এয়ারপোর্টে যাওয়া উচিৎ। এ ক্ষেত্রে সেটা হয়নি। এই প্রসঙ্গেই জহর সরকার বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী জেলায় যায়, আর যদি জেলাশাসক বলে আমার অন্য কাজ আছে, তখন মুখ্যমন্ত্রীর কেমন লাগবে?”

সেই সঙ্গে জহর সরকার রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়েও কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। দেশের অন্যান্য জায়গায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের উপর অত্যাচার হলেও কেন সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কেন মুখ খোলেননি, কেন আদিবাসীদের বিষয়ে তাঁর মুখে আগে তেমন কোনও কথা শোনা যায়নি, এই প্রশ্নও তুলেছেন জহর সরকার।

Follow Us