‘ছুটি নয়, আমাদের টাকার দরকার’, কাজের বদলে টাকা নয়, ৫ দিনের ছুটি! KMC নয়া সার্কুলার ঘিরে চরম বিক্ষোভ

KMC Health Workers Protest: মোট ৬৮৭ জন কর্মী। দুর্গাপুজোর সময় ১৫ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত কাজ করেছেন। দৈনিক ৪৮৭ টাকা করে এই চুক্তিবদ্ধ কর্মীরা টাকা পেয়ে থাকেন। সেই টাকা দশ দিনের হিসাব করে মোট ৪ হাজার ৮৭০ টাকা করে জন কিছু দেওয়ার দাবি। কিন্তু কলকাতা পৌরসভা বিজ্ঞপ্তি করে জানিয়েছে, এই ১০ দিনের যে কাজ করা হয়েছে, তার বদলে কোন টাকা দেওয়া হবে না।

ছুটি নয়, আমাদের টাকার দরকার, কাজের বদলে টাকা নয়, ৫ দিনের ছুটি! KMC নয়া সার্কুলার ঘিরে চরম বিক্ষোভ
কলকাতা পৌরনিগমে বিক্ষোভImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Nov 03, 2026 | 2:00 PM

কলকাতা: পুজোর সময়ে টানা কাজ করেছেন তাঁরা। তাঁদের প্রত্যেককে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুজো মিটতেই অন্য সার্কুলার জারি হয়েছে বলে অভিযোগ। বলা হচ্ছে, টাকা নয়, বরং ছুটি দিয়ে দেওয়া হবে। তা নিয়ে কলকাতা পুরসভায় চরম বিক্ষোভ। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের পুজোর সময় কাজ করিয়ে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ তুলে এবার পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা কলকাতা পৌরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের ঘরের সামনে বসে পড়েন। চলছে চরম বিক্ষোভ।

প্রায় ২০০ র কাছাকাছি এই কর্মীরা ছুটির দিনে পুরসভা স্বাস্থ্য বিভাগের হাল ধরেছিলেন। পুজোর সময় গোটা শহর স্বাস্থ্য পরিষেবা দিয়েছেন। সেই জায়গায় এবার টাকা না পেয়ে, তাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।

মোট ৬৮৭ জন কর্মী। দুর্গাপুজোর সময় ১৫ থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত কাজ করেছেন। দৈনিক ৪৮৭ টাকা করে এই চুক্তিবদ্ধ কর্মীরা টাকা পেয়ে থাকেন। সেই টাকা দশ দিনের হিসাব করে মোট ৪ হাজার ৮৭০ টাকা করে জন পিছু দেওয়ার দাবি। কিন্তু কলকাতা পৌরসভা বিজ্ঞপ্তি করে জানিয়েছে, এই ১০ দিনের যে কাজ করা হয়েছে, তার বদলে কোন টাকা দেওয়া হবে না। পাঁচ দিনের ছুটি দেওয়া হবে। বাকি পাঁচ দিন কোন ছুটি দেওয়া হবে না। এরই প্রতিবাদে কলকাতা পৌরসভার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের ঘরের সামনে চলছে বিক্ষোভ।

বিক্ষোভকারী এক স্বাস্থ্যকর্মী বললেন, “পুজোর সময়ে আমাদের দিয়ে ডিউটি করিয়ে নিল। এখন বলছে পয়সা দেবে না। আমাদের দাবি, সম কাজে সময় বেতন যাতে দেওয়া হয়। বলছে নাকি ৫দিন ছুটি দেবে। কিন্তু ছুটি নয়, আমাদের টাকার দরকার। টাকাটাই দেওয়া হোক।”

আরেক কর্মী বলেন, “আমরা পুজোর সময়ে ১০ দিনের টাকা পাইনি। দিনের পর দিন এইভাবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আজ হঠাৎ করেই এই সার্কুলার জারি করা হয়েছে। আমাদের দাবি, স্থায়ীকরণ, আমরা যাতে সমস্ত সুযোগ সুবিধা পাই। বিপদের দিনে শহরে তো আমরাই পাশে দাঁড়াই। করোনা থেকে শুরু করে সমস্ত কাজে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করি। কিন্তু প্রাপ্য পাওনাটুকু পাই না।” এই মুহূর্তে বাইরে বসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us