Kolkata Police: এবার ডিউটির সময় মোবাইলে ব্যস্ত থাকলেই…, কড়া নির্দেশিকা কলকাতার পুলিশ কমিশনারের
Kolkata Police Mobile Phone Ban: এর আগেও কর্মরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু, পুলিশকর্মীদের একাংশ সেই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেই মোবাইলে ব্যস্ত থাকতেন বলে অভিযোগ। তা বন্ধ করতেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার কড়া নির্দেশিকা দিলেন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

কলকাতা: মোবাইল এখন প্রতি মুহূর্তের সঙ্গী হয়ে উঠেছে। পথে-ঘাটে চলতে চলতেও অনেকে মোবাইল ঘাঁটতে থাকেন। তাতে যেকোনও সময় বিপদ ঘটতে পারে। এই নিয়ে জনসাধারণকে নানা সময় সতর্ক করতে দেখা যায় পুলিশকর্মীদের। কিন্তু, সেই পুলিশকর্মীরাই যদি ডিউটির সময়ও মোবাইলে মগ্ন থাকেন? থানার বাইরে সেন্ট্রিতে কর্মরত পুলিশকর্মী যদি ভেতরে কে ঢুকছেন, কে বেরিয়ে আসছেন, তাতে নজর না দিয়ে মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকেন? তাহলে যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সেকথা মাথায় রেখেই এবার কর্মরত অবস্থায় মোবাইল, ইয়ারফোন, হেডফোন ব্যবহার নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করলেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ।
কী নির্দেশ দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার?
নির্দেশিকায় অজয় নন্দ জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কোনও ইউনিটে সেন্ট্রি ডিউটি পালনের সময় মোবাইল, ইয়ারফোন অথবা হেডফোনের মতো কোনওরকম গ্যাজেট ব্যবহার করতে পারবেন না। এই নির্দেশ ভঙ্গ করলে ডিসিপ্লিনারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অর্থাৎ, নির্দেশে স্পষ্ট করে দেওয়া হল, ডিউটি চলাকালীন মোবাইলে কথা বললে কিংবা হেডফোনে ব্যস্ত থাকলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জানা গিয়েছে, রাতের দিকে কিংবা সকালে মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত না থাকার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ এই নির্দেশিকা কেন?
থানার গুরুত্বপূর্ণ অংশ সেন্ট্রি। থানার বাইরে নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন থাকেন পুলিশকর্মীরা। থানায় কে আসছেন, কে বাইরে যাচ্ছেন, সব নজর রাখেন। থানার নিরাপত্তার দায়িত্ব তাঁদের কাঁধেই। কিন্তু, মাঝেমধ্যেই দেখা যায়, সেন্ট্রিতে কর্মরত পুলিশকর্মী মোবাইলে কথা বলতে ব্যস্ত রয়েছেন। আবার কেউ হেডফোনে গান শুনছেন। বিশেষ করে রাতের দিকে এসব দেখা যায়। তা বন্ধ করতেই এই কড়া নোটিস বলে লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে বিশেষ প্রয়োজন পড়লে পুলিশকর্মীরা অবশ্যই মোবাইলে কথা বলতে পারেন বলে পুলিশকর্তারা স্পষ্ট করে দিলেন।
এর আগেও কর্মরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু, পুলিশকর্মীদের একাংশ সেই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করেই মোবাইলে ব্যস্ত থাকতেন বলে অভিযোগ। তা বন্ধ করতেই কলকাতার পুলিশ কমিশনার কড়া নির্দেশিকা দিলেন বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
