
কলকাতা: জবাবি ভাষণ দিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। হঠাৎই ওয়েলে নেমে বিরোধিতা করতে শুরু করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থিত তৃণমূল কংগ্রেস। এরপর থেমে যান মুখ্যমন্ত্রী। চুপ করে দাঁড়িয়ে মিটিমিটি হাসেন। সেই সময় ওঠেন কালীঘাটপন্থী নেতা তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানান। পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন?
কুণাল ঘোষ বলতে শুরু করেন, “মুখ্যমন্ত্রী যা যা ব্যবস্থা নিয়েছেন তার পূর্ণ সমর্থন করছি। কিন্তু যাঁরা-যাঁরা হঠাৎ তৃণমূলের সঙ্গে ঝগড়া করে বাঁচার চেষ্টা করছেন, তাঁদের একটাকে বাঁচতে দেবেন না। আর আপনারা যেটা নারী নির্যাতন বলছেন…ঋতব্রত একজন রেপ…।” এটা বলতে বলতেই মাইক বন্ধ করে দেওয়া হয় কুণালের। তারপর কুণাল বসে পড়েন।
এরপর ফের বলা শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “২৮ এর মধ্যে ২০ জন সাংসদ নেই। ৮০-র মধ্যে ৬২ বিধায়ক নেই। আপনাদের এই দৈন-দশার জন্য আপনারা নিজেরাই দায়ী।” এরপর কুণালের উদ্দেশে বলেন, “আগে সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছেন। আপনারা যদি ওদের বিরুদ্ধে চুরি-দুর্নীতি-ত্রিপল লুকিয়ে রাখা অবৈধ সম্পত্তি করার তথ্য থাকলে আমাদের দেবেন। আমরা ব্যবস্থা নেব।”