
কলকাতা: একজন এই মুহূর্তে কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের প্রথম সারির নেতা। আর অপরজন নতুন শিবির গড়ার অন্যতম কারিগর। বিজয়ায় ‘সৌজন্যে’র ছবি দেখা গেল সেই দুই নেতার মধ্যে। গত ৬ মাসে রাজ্য রাজনীতিতে যে পরপর ঘটনার মোড় নিয়েছে, সোমবারও মমতা-তৃণমূলের বিরুদ্ধে মাঝরাস্তা থেকে নথি ছিনতাইয়ের চেষ্টার মতো অভিযোগ তুলেছে ঋত-শিবির। দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনে চলছে দুই পক্ষের প্রতীক-লড়াই। এই আবহে বিধানসভার লবিতে কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh) ও সন্দীপন সাহাকে (Sandipan Saha) কথা বলতে দেখে চমকে উঠলেন অনেকেই।
মঙ্গলবার পুজোর পর প্রথম বিধানসভা খুলেছে। ছিল স্ট্য়ান্ডিং কমিটির মিটিং। দুই বিধায়ক গিয়েছিলেন বিধানসভায় বিভিন্ন কমিটি মিটিং-এ যোগ দিতে। এদিনই বিধানসভার লবিতে দীর্ঘক্ষণ কথা হয় সন্দীপন সাহা ও কুণাল ঘোষের। দুজনেই ‘সৌজন্য’ বলে দাবি করলেও জল্পনা তৈরি হচ্ছেই। কালীঘাট তৃণমূলের তরফে বারে বারে দাবি করা হয়েছে যে ঋতব্রত শিবিরের সঙ্গে বেশিরভাগ বিধায়কই নেই। এমনকী প্রতীক নিয়ে যে এফিডেভিটের চর্চা চলছে, সেখানেও নাকি ঋতব্রত শিবিরের বহু বিধায়ক স্বাক্ষর করেননি বলেও দাবি কালীঘাটপন্থীদের। এরকম সময়ে কুণাল সন্দীপনের দীর্ঘক্ষণের সৌজন্য বিনিময় রাজনৈতিক মহলের নজর এড়ায়নি।
সন্দীপনকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কখনও কখনও রাজনীতির বাইরে গিয়ে, যাঁদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়, তাঁদের সঙ্গে সৌজন্য প্রদর্শনও করতে হয়। এটার মধ্যে আপনারা রাজনীতি দেখতে চাইলে দেখতে পারেন।” কুণাল ঘোষও এই সাক্ষাৎকে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, “বেলেঘাটা পাশের বিধানসভা। বহুদিনের পরিচিতি। বিজয়ার পর দেখা হলে শুভেচ্ছা বিনিয় করি। সেই সৌজন্য দেখালাম।”