Kunal Ghosh On DEV: ‘মমতা-অভিষেকের পরই যদি কেউ থেকে থাকে, সে দেব’, রাতারাতি সুর বদল কুণালেরও

Kunal Ghosh Dev Controversy: দেব-কুণালের তরজা বঙ্গ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত চর্চিত। সমাজমাধ্যমে তর্ক-বিতর্কের পর সে তরজা সামনে আসে ফেডারেশনের তরফে আয়োজন করা বিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চে। মাঝে মধ্যে 'রঘু ডাকাত'এর মুক্তির আগে সমাজমাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান তাঁরা।

Kunal Ghosh On DEV: মমতা-অভিষেকের পরই যদি কেউ থেকে থাকে, সে দেব, রাতারাতি সুর বদল কুণালেরও
বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষের হয়ে প্রচারে দেব (ফাইল ছবি)Image Credit source: Facebook

Jun 09, 2026 | 2:56 PM

কলকাতা: ২৪ ঘণ্টাও কাটল না, ‘বিক্ষুব্ধ’ দেবকে কি বদলে গের কুণাল ঘোষের অবস্থান! সোমবার যখন ২০ জন ‘বিক্ষুব্ধ’ তৃণমূল সাংসদদের তালিকায় দেবের নামটাও উঠে আসে, তখন ফোঁস করে উঠেছিলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বলেছিলেন, “দেব এক নম্বর অভিনেতা । তবে ওর রাজনীতি নিয়ে আমার বক্তব্য ঠিক ছিল কি না তা নেত্রী আজ বুঝবেন নিশ্চই।” আর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে করলেন সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট। তাতে আবার লিখলেন,  “এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে মমতাদি ও অভিষেকের পর যদি কেউ সারা বাংলা ঘুরে প্রচার করে থাকে, সে দেব। এবং সর্বশেষ, আমি দেবকে ধন্যবাদ দেব।”

দেব-কুণালের তরজা বঙ্গ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত চর্চিত। সমাজমাধ্যমে তর্ক-বিতর্কের পর সে তরজা সামনে আসে ফেডারেশনের তরফে আয়োজন করা বিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চে। মাঝে মধ্যে ‘রঘু ডাকাত’এর মুক্তির আগে সমাজমাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ান তাঁরা। কিন্তু নির্বাচনের আবহে ধরা পড়ে অন্য ছবি। হুডখোলা গাড়িয়ে বেলেঘাটার প্রার্থী কুণাল ঘোষের হয়ে প্রচার করেছিলেন দেব! সচেতকদের মতে, রাজনীতিতে অনেক সমীকরণ সাধারণ মানুষের বোঝার ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে।তবে তাঁদের মতে দেবের সঙ্গে প্রকাশ্যে তরজা হতেই পারত রাজনৈতিক কৌশল। যেখানে কিনা কুণালের সৌজন্যের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষই বলেছিলেন, ‘উনি (কুণাল ঘোষ) যে কখন কাকে কী বলেন, তা বোঝার উর্ধ্বে’!


সোমবার দেবকে নিয়ে কুণাল যা বলেছিলেন, তা রাজনৈতিক সচেতকদের কাছে অপরিচিত নয়। কিন্তু তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কুণাল বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে করলেন পোস্ট। তিনি লিখলেন, “ওর (দবের) কিছু ব্যক্তির সঙ্গে সমীকরণে রাজনৈতিক অবস্থানগত কারণে আমার আপত্তি ছিল। সেটা আমি স্পষ্ট জানাতাম। অভিনেতা এবং রাজনৈতিক সত্তার মেরুকরণ থেকে সেই জটিলতা ছিল। বাকিটা তৃণমূলনেত্রী ও দল বুঝবেন।” আর তারপরই তিনি লিখেছেন, ” এবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে মমতাদি ও অভিষেকের পর যদি কেউ সারা বাংলা ঘুরে প্রচার করে থাকে, সে দেব। এবং সর্বশেষ, আমি দেবকে ধন্যবাদ দেব, কারণ আমার একটি অনুরোধে ব্যস্ত, ক্লান্তিকর প্রচার ও শ্যুটিংয়ের মধ্যেও সে বেলেঘাটা কেন্দ্রে আমার প্রচার করে দিয়ে গেছিল।”

নিজের সামাজিক মাধ্য়মে সেই ছবিও শেয়ার করেছেন কুণাল ঘোষ। যেখানে তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদদের ‘বিশ্বাসঘাতক’ অ্যাখ্যায়িত করা হচ্ছে, যেখানে সরব কল্যাণ-সৌগতরা। সেখানে নিজেও ‘পার্টিকুলারলি’ দেবকে বিঁধে আবারও কেন সুর মিষ্টি কুণালের? এর নেপথ্যেও লুকিয়ে কোন সমীকরণ? প্রশ্ন তো উঠবেই।

Follow Us