Lake Town Messi Statue: ‘এরকমভাবে তো আর রাখা যাবে না?’ কোমরের নীচ থেকে দড়ি দিয়ে বাঁধা! এবার কি ভেঙে ফেলা হবে লেকটাউনের মেসির মূর্তি?
Messi Statue Controversy: যদি এই মূর্তিটিকে অন্যত্র সরাতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রয়োজন একটি সুবিশাল ক্রেনের। লেকটাউনে যে জায়গায় মেসির মূর্তি, সেটি জনবহুল। ওই রাস্তা দিয়ে প্রচুর গাড়ি চলাচল করে। পাশেই রয়েছে সাবওয়ে। সেক্ষেত্রে বড় ক্রেন দিয়ে মেসির মূর্তি সরানো কত বিপদ এড়িয়ে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

কলকাতা: লেকটাউন মোড়ে মেসির সুবিশাল মূর্তি! দমকা হাওয়া দিলেই দুলছে সেই মূর্তি। খবর প্রকাশ্যে আসতেই হইচই। তারপর থেকেই আতঙ্কে লেকটাউনের বাসিন্দারা! মঙ্গলবার রাতে পূর্ত দফতরের তরফ থেকে মূর্তিটিকে দড়ি দিয়ে বেঁধে দেওয়া হয়! সেই সঙ্গে মূর্তির পিছনের দিকের রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়! মূর্তির সামনে, মাঠের অংশকেও বাঁশের ব্যারিকেড করে দেওয়া হয়েছে!
বুধবার বিশেষজ্ঞরা মূর্তিটি পরিদর্শনে আসবেন! তারপর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে! মূর্তিটি অক্ষত অবস্থায় নামিয়ে নেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।
কিন্তু আশঙ্কা রয়েছে, ৪৪ ফুটের এই মূর্তি যেভাবে হাওয়া দিলেই নড়ছে, তাতে যে কোনও সময়েই ভেঙে পড়তে পারে। এই পরিস্থিতিতে মূর্তিটি অক্ষত অবস্থায় নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূর্তিটি পড়ে গিয়ে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে সেইজন্য গতকাল থেকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে মূর্তিটি। মূর্তিটির কোমরের নীচ থেকে মোটা নাইলনের দড়ি দিয়ে চারদিকে থাকা মজবুত স্ট্রাকচারের সঙ্গে বাঁধা রয়েছে। অক্ষত অবস্থায় এত বড় মূর্তি নামানো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন PWD-র ইঞ্জিনিয়াররা।
যদি এই মূর্তিটিকে অন্যত্র সরাতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রয়োজন একটি সুবিশাল ক্রেনের। লেকটাউনে যে জায়গায় মেসির মূর্তি, সেটি জনবহুল। ওই রাস্তা দিয়ে প্রচুর গাড়ি চলাচল করে। পাশেই রয়েছে সাবওয়ে। সেক্ষেত্রে বড় ক্রেন দিয়ে মেসির মূর্তি সরানো কত বিপদ এড়িয়ে সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।
কী বলছেন এলাকাবাসীরা?
এক বাসিন্দা বললেন, “দড়ি দিয়ে বেঁধে দিয়েছে, ব্যারিকেড করে দিয়েছে। তাতে এখন আর ভয়ের নেই। কিন্তু রাখতে গেলে থাকার উপযুক্ত করতে হবে। কারণ এই অবস্থায় তো রাখা যাবে না।” আরেক জন বাসিন্দার বক্তব্য, “সরিয়ে দিলেই ভাল হয়। কারণ কখন কার মাথায় পড়ে যাবে। একটা বড় দুর্ঘটনা ঘটে যাবে।”
