
কলকাতা: শুক্রবার পাঁচ আসনে প্রার্থী দিয়েছে বামেরা। চমক রেখেছে বসিরহাট কেন্দ্রে। সন্দেশখালিকাণ্ডে চাপানউতরের মাঝে সিপিএমের প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দারকে এ কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করল বামেরা। নিরাপদ বলেন, লাল ঝান্ডার আন্দোলন বসিরহাটে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী হয়েছে। এবার নির্বাচনেও তার ছাপ পড়বে। বসিরহাটকে ‘নিরাপদ’ রাখার লড়াই এবার, বলছেন সিপিএম প্রার্থী নিরাপদ সর্দার।
নিরাপদ সর্দার বলেন, “২০১১ সালে যখন গোটা রাজ্যে লাল ঝান্ডা প্রায় দুর্বল হয়ে পড়েছিল, তখন কিন্তু সন্দেশখালির গরিব খেতমজুর আদিবাসীরাই লাল ঝান্ডা জিতিয়েছিল। বসিরহাট মহকুমায় বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে যে বিধানসভা কেন্দ্রগুলি পড়ে বেশিরভাগেই তফশিলি জাতি-উপজাতি ও খেটে খাওয়া গরিব মানুষের বসবাস। এখানকার মানুষ শান্তি চায়, ঐক্য় চায়।”
সন্দেশখালির ঘটনায় উস্কানির অভিযোগে নিরাপদ সর্দারকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাঁর গ্রেফতারি নিয়ে হাইকোর্টে পর্যন্ত প্রশ্ন ওঠে। নিরাপদর কথায়, মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছিল, জেলে পাঠানো হয়েছিল। আর সেই জেলযাত্রাই সন্দেশখালি-সহ গোটা রাজ্যের তাঁদের আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে দাবি সিপিএম প্রার্থীর।
নিরাপদ বলেন, “বসিরহাটে বিজেপি, তৃণমূল, আইএসএফ প্রার্থী দিলেও আমি মনে করি এখানকার বেশির ভাগ মানুষই বাম মনোভাবাপন্ন। ইতিহাস তাই বলে। ২০১১ সালে গোটা রাজ্যে হারলেও বসিরহাট লোকসভার তিনটি বিধানসভা জিতিয়েছিল আমাদের। সন্দেশখালি, হিঙ্গলগঞ্জ, মিনাখাঁ, হাড়োয়া বামপন্থীদেরই পছন্দ করে। এখানকার মানুষ অশান্তি নয়, ঐক্য চায়।”