
কলকাতা: সই জালিয়াতি কাণ্ডে তদন্তে আরও গতি বাড়াচ্ছে সিআইডি। এবার কালীঘাটে অভিযান। এই প্রথমবার মমতার একেবারে বাড়ির কাছেই ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে তৃণমূলের সেট্রাল পার্টি অফিসে পৌঁছে গেল সিআইডি। সূত্রের খবর, এই ঠিকানা থেকেই চিঠি লেখা হয় বিধানসভার স্পিকারকে। লেটার হেডেও এই ঠিকানাই ছিল। সেই ঠিকানাতেই এবার হানা দিল ভবানীভবনের বিরাট টিম। গোটা এলাকা কার্যত ঘিরে ফেলা হয়েছে। ক্যামেরাও এসেছে পুলিশের তরফে। পুরো ঘটনাই ক্যামেরাবন্দি করা হচ্ছে। চলছে ভিডিয়োগ্রাফি।
তদন্তে যে কোনওরকম বাধা এলে তা যে কোনওভাবেই বরাদাস্ত করা হবে না তা সিআইডির বডি ল্যাঙ্গুয়েজেই স্পষ্ট। রয়েছে সিআইডির মহিলা টিমও। তবে পার্টি অফিসে যে নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন তাঁদের এখনও দেখা মেলেনি। এরইমধ্যে সিআইডি-কে তদন্তে সহযোগিতা করার জন্য আসে কলকাতা পুলিশের বড় টিম।
অন্যদিকে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যা। সেখানেই রয়েছেন তিনি। দিল্লিতে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি কাণ্ডে এদিনই অভিষেককে এদিন বিকেল ৫টার মধ্যে ভবানীভনে হাজিরা দিতে বলেছিল সিআইডি। যদিও অভিষেকের এখনও দেখা মেলেনি। এর আগে সিআইডি-র টিম অভিষেকের বাড়িতেও গিয়েছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল একের পর এক তৃণমূল বিধায়ককেও।
এদিকে পার্টি অফিসে ঢোকার মুখে সিআইডির তদন্তকারীদের সঙ্গ বেশ কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটি হয় তৃণমূল নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর। সিআইডি তদন্তকারীর বারবার তাঁর কাছে ভিতরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও তিনি ঢুকতে দেননি বলে অভিযোগ। কিন্তু ঢুকতে না দিলে তা যে তদন্তে বাধা দেওয়ার সামিল তাও শুভাশিসবাবুকে বোঝান তদন্তকারীরা। কিন্তু নাছোর শুভাশিস কিছুই বুঝতে চাননি। পুরো ঘটনারই ভিডিয়োগ্রাফিও হয়।