Mamata Banerjee: ‘ডাক্তাররা ছাড়তে চাননি, বাধ্য হয়েছেন’, অভিষেকের চিকিৎসা কোথায় হবে জানালেন মমতা

Mamata Banerjee on Abhishek Banerjee Treatment: সোনারপুরে অভিষেকের মৃত্যুও হতে পারত বলে অভিযোগ করেন মমতা। বলেন, "মানুষের আশীর্বাদে ও আজকে বেঁচেছে। যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছিল, ঘটনাস্থলেই মারা যেত পারত। স্থানীয় ছেলেরা যদি হেলমেট না দিত। বুকের চারপাশে রক্ত জমে রয়েছে। গা বমি বমি করছে। মাথা ঘুরছে। এই অবস্থায় ডাক্তাররা ছাড়তে চাননি। কিন্তু, তাঁরা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। না হলে তাঁদের চাকরি খেয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।"

Mamata Banerjee: ডাক্তাররা ছাড়তে চাননি, বাধ্য হয়েছেন, অভিষেকের চিকিৎসা কোথায় হবে জানালেন মমতা
কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

May 31, 2026 | 12:23 AM

কলকাতা: পরপর দুটি বেসরকারি হাসপাতাল। দ্বিতীয় হাসপাতালও জানিয়ে দিয়েছে, ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। দ্বিতীয় হাসপাতালও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়ায় বিজেপিকে নিশানা করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির চাপেই কোনও হাসপাতাল অভিষেককে ভর্তি নেয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যদি ভর্তির প্রয়োজনই না থাকে, তাহলে কেন ২ ঘণ্টা ইনটেনশিভ থেরাপি ইউনিট (ITU)-এ রাখা হল?

কী বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

এদিন রাত ১১টা নাগাদ দ্বিতীয় ওই হাসপাতালের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, “প্রথমে ITU-তে নিয়ে একাধিক পরীক্ষার কথা বলা হয়।” কী কী পরীক্ষার কথা বলা হয়েছিল, তা জানাতে ডেরেক ও’ব্রায়েনকে মাইক্রোফোন দেন মমতা। ডেরেক সেইসব পরীক্ষার কথা জানানোর পর মমতা বলেন, “আমি যখন ওই হাসপাতালের কর্তার সঙ্গে বসেছিলাম। তিনি আমাকে বলছিলেন, বিভিন্ন পুলিশের কাছ থেকে থ্রেট কল পাচ্ছেন। বিশেষ করে ডিসি সাউথ। সঙ্গে বিজেপি নেতারা। অভিষেককে ভর্তি না নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। চিকিৎসকরা দুঃখিত।”

এরপরই মমতা প্রশ্ন তোলেন, “যদি প্রয়োজনই না ছিল, তাহলে ITU-তে কেন ২ ঘণ্টা রেখে পরীক্ষাগুলো করার সুপারিশ করা হল? আগের হাসপাতালেও থ্রেট করেছে। এখানে সঙ্গে সঙ্গে আইটিইউতে নিয়েছে।” এরপর অভিষেকের কোথায় চিকিৎসা হবে, তাও জানালেন মমতা। বললেন, “অভিষেককে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাড়ির মধ্যে হাসপাতালের মতো করা হচ্ছে। বাড়িই হাসপাতাল হবে।”

সোনারপুরে অভিষেকের মৃত্যুও হতে পারত বলে অভিযোগ করেন মমতা। বলেন, “মানুষের আশীর্বাদে ও আজকে বেঁচেছে। যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছিল, ঘটনাস্থলেই মারা যেত পারত। স্থানীয় ছেলেরা যদি হেলমেট না দিত। বুকের চারপাশে রক্ত জমে রয়েছে। গা বমি বমি করছে। মাথা ঘুরছে। এই অবস্থায় ডাক্তাররা ছাড়তে চাননি। কিন্তু, তাঁরা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। না হলে তাঁদের চাকরি খেয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আমার সামনে ফোন করে ডিসি দক্ষিণ থ্রেট করেছে। এখানে যা চলছে, আমার মনে হয় দিল্লির বিজেপি নেতারাও এত খারাপ নয়। আমাদের সরকার কারও গায়ে স্পর্শ করেনি।” সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলা নিয়ে মমতা বলেন, “স্থানীয় মানুষ নয়। বাইরে থেকে ভাড়া করে আনা হয়েছিল।” অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি যাওয়া নিয়েও সরব হন তিনি।

Follow Us