
কলকাতা: ভোটবঙ্গে কার্পেট বম্বিংয়ে মমতা। ভোটের ঠিক আগেই TV9 বাংলার কনসাল্টিং এডিটর অনির্বাণ চৌধুরীর সঙ্গে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে গেরুরা শিবিরের অন্দরমহলের এক বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরলেন মমতা। তিনি দাবি করেন, নরেন্দ্র মোদীর পর প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে কি যোগীই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর মুখ? অনির্বাণ চৌধুরীর প্রশ্নের উত্তরে মমতা জানালেন হ্য়াঁ! সঙ্গে এও জানালেন, কীভাবে গেরুয়া শিবিরের মধ্যেই ‘যোগী ফ্যাক্টর’ সক্রিয় হচ্ছে, আর সেটা বলতে গিয়েই তুলে ধরলেন ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’এর তত্ত্ব।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখন ‘যোগী ফ্যাক্টর’ নিয়ে রীতিমতো শঙ্কিত। মমতার কথায়, “যোগী ফ্যাক্টর, কারণ যোগীকে ওরা ভয় পায়। যোগীকে টাইট দেওয়ার জন্য, উত্তরপ্রদেশকে টুকরো টুকরো করার জন্য সারা দেশকে টুকরো করছে।” আর সেই কথা বলতে গিয়েই তিনি বলেন, “মোদীর পরে প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে আছেন যোগী।”
উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিশেষ করে নারী নিরাপত্তা নিয়ে মমতা কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, যোগীর শাসন আমলে উত্তরপ্রদেশে নারী নির্যাতনের হার সর্বোচ্চ।
বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক নেই, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েও মমতা দাবি করেন যে, গেরুয়া শিবিরের এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের খবর তিনি বিভিন্ন ‘সূত্র’ মারফত নিশ্চিত হয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্য জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি-বিরোধী মেরুকরণকে আরও তীব্র করবে।
কলকাতা: ভোটবঙ্গে কার্পেট বম্বিংয়ে মমতা। ভোটের ঠিক আগেই TV9 বাংলার কনসাল্টিং এডিটর অনির্বাণ চৌধুরীর সঙ্গে এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে গেরুরা শিবিরের অন্দরমহলের এক বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরলেন মমতা। তিনি দাবি করেন, নরেন্দ্র মোদীর পর প্রধানমন্ত্রীর দৌড়ে এগিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তবে কি যোগীই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর মুখ? অনির্বাণ চৌধুরীর প্রশ্নের উত্তরে মমতা জানালেন হ্য়াঁ! সঙ্গে এও জানালেন, কীভাবে গেরুয়া শিবিরের মধ্যেই ‘যোগী ফ্যাক্টর’ সক্রিয় হচ্ছে, আর সেটা বলতে গিয়েই তুলে ধরলেন ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’এর তত্ত্ব।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখন ‘যোগী ফ্যাক্টর’ নিয়ে রীতিমতো শঙ্কিত। মমতার কথায়, “যোগী ফ্যাক্টর, কারণ যোগীকে ওরা ভয় পায়। যোগীকে টাইট দেওয়ার জন্য, উত্তরপ্রদেশকে টুকরো টুকরো করার জন্য সারা দেশকে টুকরো করছে।” আর সেই কথা বলতে গিয়েই তিনি বলেন, “মোদীর পরে প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়ে আছেন যোগী।”
উত্তরপ্রদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিশেষ করে নারী নিরাপত্তা নিয়ে মমতা কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর মতে, যোগীর শাসন আমলে উত্তরপ্রদেশে নারী নির্যাতনের হার সর্বোচ্চ।
বিজেপির কোনও নেতার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক নেই, এ কথা স্পষ্টভাবে জানিয়েও মমতা দাবি করেন যে, গেরুয়া শিবিরের এই অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের খবর তিনি বিভিন্ন ‘সূত্র’ মারফত নিশ্চিত হয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্য জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি-বিরোধী মেরুকরণকে আরও তীব্র করবে।