
কলকাতা: ফের একবার পিছিয়ে গেল ভবানীপুর-মামলা (Bhabanipur Case)। ফের ছ’সপ্তাহ পরে হবে শুনানি। সবাইকে নতুন করে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ। ২০২৬-এ ভবানীপুরের প্রার্থী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্র থেকে জয়ী হলে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় হাইকোর্টে। আজ, মঙ্গলবার সেই মামলায় সওয়াল করেন মমতার আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিন শুভেন্দু অধিকারীর আইনজীবী চার সপ্তাহ সময় নিলেন লিখিত বক্তব্য জানানোর জন্য। এরপরই আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধিতা করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী কল্যাণ বলেন, “পাঁচ বছরেও ইলেকশন পিটিশন মামলা শেষ হয় না। এটা কলকাতা হাইকোর্টের খারাপ ইতিহা। নতুন ইতিহাস তৈরি করতে সাহায্য করুন।”
আইনজীবী আরও বলেন, “১৯৮১ সাল থেকে প্র্যাকটিস করছি, মাত্র একটি মামলায় পাঁচ বছর শেষ হওয়ার তিন মাস আগে নিষ্পত্তি হয়েছে এই আদালতে। এবার এই মামলায় একটা নজির গড়তে দয়া করে সাহায্য করুন।” বিচারপতি গৌরাঙ্গ কান্ত আশ্বাস দিয়ে বলেন, “চেষ্টা করছি।” সবাইকে নতুন করে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্র থেকেই ১৫,১০৫ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা করেন মমতা। অভিযোগ ওঠে, ‘১২ রাউন্ড গণনার পর মমতাই এগিয়ে ছিলেন। এরপর সব বদলে যায়।’ তৃণমূলের এজেন্টদের মারধর করা হয়, বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।