
কলকাতা: রাস্তায় থুতু ফেললেই এবার দিতে হবে জরিমানা। আগেই ঘোষণা করেছে নতুন সরকার। এবার রাস্তা তৈরিতেও জোর। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই গোটা রাজ্যের ছবিটাই বদলে যাবে। একপ্রকার জোর দিয়েই বললেন রাজ্যের পূর্ত দফতরের মন্ত্রী তথা কুলটির বিধায়ক অজয় পোদ্দার। তাঁর কাঁধে রয়েছএ জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের দায়িত্বও। মন্ত্রীর সাফ কথা, কাজ হবে দ্রুততার সঙ্গে। বর্ষা ঢুকছে, এরমধ্যে যান চলাচলে যাতে কোনও সমস্যা না হয়, দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে তার জন্য জোরকদমে মেরামতির কাজেও জোর দেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছাতেও যাতে আরও কোনও দেরি না হয় তাও জানিয়ে দিলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী।
এদিন তাঁর সঙ্গেই ছিলেন অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও পূর্ত দফতরের প্রতিমন্ত্রী নদিয়ার চাঁদ বাউরি। তাঁকে পাশে নিয়েই একের পর এক বড় ঘোষণাও করেন অজয় পোদ্দার। বলেন, “দার্জিলিং থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত হাইওয়ে তৈরি করবে রাজ্য সরকার এবং ন্যাশানাল হাইওয়ে অথরিটি। দার্জিলিং থেকে বিহার হয়ে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত ৭৭০ কিলোমিটারের এই রাস্তা হবে।”
তবে বর্ষায় কাজের গতি কমে এলেও কীভাবে সরকার এখন থেকেই পুরো পরিকল্পনা সাজাচ্ছে তাও জানান মন্ত্রী। বলেন, “বর্ষায় কয়েক মাসে কাজে একটু বাধা আসে। পিচ করা যায় না। জলে ধুয়ে গেলে তো কোনও লাভ নেই। কিন্তু আমরা চাইছি এখন থেকে পরিকল্পনা শুরু করতে যাতে বর্ষা কেটে গেলেই ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে একেবারে সম্পূর্ণ চিত্রটাই বদলে ফেলা যায়। এমন কোনও জেলা থাকবে না যেখানে কাজ হয়নি। আমরা এটা করে দেখাব। কাজ কীভাবে করতে হয় সেটা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ৩০ দিনেই করে দেখিয়েছেন। রোজই রাজ্যের স্বার্থে একটার পর একটা এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছে। পিডব্লুডি, পিএইচই দফতর থেকে যত দ্রুত সম্ভব হয় কাজ হবে।”
এরপরই বাড়ি বাড়ি জল প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বলেন, “এটা তো প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের প্রকল্প। দ্রুততার সঙ্গেই এই প্রকল্পের কাজ হবেই। প্রতিটা বাড়িতে জল পৌঁছাবেই। সরকারি আধিকারদের থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে। কোনও জেলাতেই ১০০ শতাংশ কাজ এখনও হয়ে ওঠেনি। নদিয়াতে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ কাজ হয়েছে। এই জেলা ছাড়াও পুরুলিয়া, মেদিনপুরের কিছু অংশে আমরা ১০০ শতাংশ কাজ করে দেব।”