Nakshatra Samman: যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ‘নক্ষত্র সম্মানে’র মঞ্চ থেকে রবীন্দ্রনাথের ‘মা মা হিংসা’র বাণী স্মরণ করালেন TV9 নেওয়ার্কের এমডি ও সিইও বরুণ দাস

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের কী ভূমিকা আছে, সে কথা বলতে গিয়ে বরুণ দাস বলেন, "আমি ভেবেছি, পৃথিবী জুড়ে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে আমার কী করার আছে? আমিও তো বিশ্ব নাগরিক হিসেবে একটা অংশ। আমি মনে করি, দুটো ব্যাপারে নজর দেওয়া উচিৎ। এক, আমরা নিজেদের মধ্যে নতুন করে কোনও যুদ্ধ করব না, আর নিজের কাজটা করব।"

| Edited By: জয়দীপ দাস

Mar 26, 2026 | 10:50 PM

সাধারণ হয়েও যাঁরা আক্ষরিক অর্থে অসাধারণ, তাঁদের সম্মাননা জানানোর জন্য প্রতি বছর প্রয়াসী হয় TV9 বাংলা। এবারও তার অন্যথা ঘটেনি। TV9 বাংলা ‘নক্ষত্র সম্মান ২০২৬’-এর মঞ্চে গুণীজনদের সম্মানিত করে TV9 বাংলা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যে নিজেই সম্মানিত হয়, সে কথা বারবার উঠে এসেছে সংস্থার এমডি ও সিইও বরুণ দাসের এদিনের স্বাগত ভাষণে। এবছরের ‘নক্ষত্র সম্মান’-এর মঞ্চ থেকে কীভাবে গোটা বিশ্ব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রভাবিত হচ্ছে, সে কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, বর্তমান ও সম্ভাবনার বিষয়ে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেন বরুণ দাস।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কালের কথা মনে করিয়ে দিয়ে TV9 নেটওয়ার্কের এমডি-সিইও বরুণ দাস বলেন, “১৯১৪ সালের অগস্ট মাসে যখন ভারত ব্রিটিশ এম্পায়ারের অংশ হিসেবে বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য হল, তখন রবীন্দ্রনাথ তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছিলেন, ‘মা মা হিংসা’ অর্থাৎ কারও কোনও ক্ষতি করো না, হিংস্র হয়ো না। উপনিষদের বিধান থেকে উল্লেখ করে তিনি তাঁর ছাত্রদের এ কথা বলেছিলেন।”

১০০ বছর আগে রবীন্দ্রনাথের সেই উক্তি থেকে কেউ শিক্ষা নিতে পারেননি বলে মনে করেন বরুণ দাস। তিনি বলেন, “১০০ বছরে আমরা শিখতে পারিনি। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে যুদ্ধে সবাই হারে। দু’পক্ষই হারে। তা সত্ত্বেও প্রথমে দেখলাম রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, তারপর ট্যারিফ যুদ্ধ, আর এখন পশ্চিম এশিয়ার ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ। কোথাও মনে হয়, রবীন্দ্রনাথের সেই কথা ভুলে গিয়ে সবাই যেন ‘হীরক রাজার দেশে’র ‘মগজ ধোলাই’ হয়ে যাওয়ার মতো করে যুদ্ধে মেতে উঠেছে।”

বরুণ দাস আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধের প্রভাবে শান্তি ও সমৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে গোটা বিশ্বে। তবে তিনটি এফ (F) অর্থাৎ, ফুয়েল, ফুড আর ফিনান্সে বাংলার অবস্থান কোথায়, সেই ব্যাখ্যা করেন তিনি। বলেন, “অন্যান্য দেশের মতো ভারতে হয়ত তেল নেই, কিন্তু কয়লা আছে। বিশ্বের সর্বোচ্চ কয়লা উৎপাদনকারী চার দেশের মধ্যে অন্যতম ভারত। আর বাংলা সেই মজুত করা কয়লার ক্ষেত্রে এক নম্বরে। দেউচা পচামিতে যা কয়লা মজুত আছে, তা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এনার্জির দিক থেকে আমরা একটা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছি।”

এরপর ‘ফুড’ অর্থাৎ খাদ্য প্রসঙ্গে বরুণ দাস বলেন, “বাংলাকে বলা হয়, খাদ্যের ভাণ্ডার। মাছ-ভাত উৎপাদনে বাংলা এক নম্বরে। ডাল ও চা উৎপাদনে বাংলা ২ নম্বরে। খাদ্যের দিক থেকেও আমরা এগিয়ে আছি। রইল বাকি ফিনান্স। ওখানে আমাদের আরও অনেক কিছু করার আছে। মনে রাখতে হবে, ক্ষুধার রাজ্যে কিন্তু পৃথিবী গদ্যময়। তাই অর্থনীতিতে জোর দিতে হবে।”

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের কী ভূমিকা আছে, সে কথা বলতে গিয়ে বরুণ দাস বলেন, “আমি ভেবেছি, পৃথিবী জুড়ে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে আমার কী করার আছে? আমিও তো বিশ্ব নাগরিক হিসেবে একটা অংশ। আমি মনে করি, দুটো ব্যাপারে নজর দেওয়া উচিৎ। এক, আমরা নিজেদের মধ্যে নতুন করে কোনও যুদ্ধ করব না, আর নিজের কাজটা করব।”

আমেরিকার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট থমাস জেফার্সন, যাঁকে আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়, তাঁর কথা উল্লেখ করে বরুণ দাস বলেন, “উনি একসময় বলেছিলেন, আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি। কিন্তু যত বেশি পরিশ্রম করি, তত ভাগ্য সদয় হয়। তাই কাজই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।”

সব শেষে TV9 নেটওয়ার্কের এমডি-সিইও বলেন, “আজ যাঁদের আমরা সম্মানিত করব, তাঁদের প্রত্যেকের অসাধারণ কৃতিত্ব রয়েছে। এখানে তাঁদের মধ্যে বসে থাকাটাই আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।”

সাধারণ হয়েও যাঁরা আক্ষরিক অর্থে অসাধারণ, তাঁদের সম্মাননা জানানোর জন্য প্রতি বছর প্রয়াসী হয় TV9 বাংলা। এবারও তার অন্যথা ঘটেনি। TV9 বাংলা ‘নক্ষত্র সম্মান ২০২৬’-এর মঞ্চে গুণীজনদের সম্মানিত করে TV9 বাংলা প্রতিষ্ঠান হিসেবে যে নিজেই সম্মানিত হয়, সে কথা বারবার উঠে এসেছে সংস্থার এমডি ও সিইও বরুণ দাসের এদিনের স্বাগত ভাষণে। এবছরের ‘নক্ষত্র সম্মান’-এর মঞ্চ থেকে কীভাবে গোটা বিশ্ব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রভাবিত হচ্ছে, সে কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি বাংলা ও বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, বর্তমান ও সম্ভাবনার বিষয়ে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেন বরুণ দাস।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কালের কথা মনে করিয়ে দিয়ে TV9 নেটওয়ার্কের এমডি-সিইও বরুণ দাস বলেন, “১৯১৪ সালের অগস্ট মাসে যখন ভারত ব্রিটিশ এম্পায়ারের অংশ হিসেবে বিশ্বযুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য হল, তখন রবীন্দ্রনাথ তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছিলেন, ‘মা মা হিংসা’ অর্থাৎ কারও কোনও ক্ষতি করো না, হিংস্র হয়ো না। উপনিষদের বিধান থেকে উল্লেখ করে তিনি তাঁর ছাত্রদের এ কথা বলেছিলেন।”

১০০ বছর আগে রবীন্দ্রনাথের সেই উক্তি থেকে কেউ শিক্ষা নিতে পারেননি বলে মনে করেন বরুণ দাস। তিনি বলেন, “১০০ বছরে আমরা শিখতে পারিনি। ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে যুদ্ধে সবাই হারে। দু’পক্ষই হারে। তা সত্ত্বেও প্রথমে দেখলাম রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, তারপর ট্যারিফ যুদ্ধ, আর এখন পশ্চিম এশিয়ার ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ। কোথাও মনে হয়, রবীন্দ্রনাথের সেই কথা ভুলে গিয়ে সবাই যেন ‘হীরক রাজার দেশে’র ‘মগজ ধোলাই’ হয়ে যাওয়ার মতো করে যুদ্ধে মেতে উঠেছে।”

বরুণ দাস আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধের প্রভাবে শান্তি ও সমৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে গোটা বিশ্বে। তবে তিনটি এফ (F) অর্থাৎ, ফুয়েল, ফুড আর ফিনান্সে বাংলার অবস্থান কোথায়, সেই ব্যাখ্যা করেন তিনি। বলেন, “অন্যান্য দেশের মতো ভারতে হয়ত তেল নেই, কিন্তু কয়লা আছে। বিশ্বের সর্বোচ্চ কয়লা উৎপাদনকারী চার দেশের মধ্যে অন্যতম ভারত। আর বাংলা সেই মজুত করা কয়লার ক্ষেত্রে এক নম্বরে। দেউচা পচামিতে যা কয়লা মজুত আছে, তা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এনার্জির দিক থেকে আমরা একটা জায়গায় পৌঁছে গিয়েছি।”

এরপর ‘ফুড’ অর্থাৎ খাদ্য প্রসঙ্গে বরুণ দাস বলেন, “বাংলাকে বলা হয়, খাদ্যের ভাণ্ডার। মাছ-ভাত উৎপাদনে বাংলা এক নম্বরে। ডাল ও চা উৎপাদনে বাংলা ২ নম্বরে। খাদ্যের দিক থেকেও আমরা এগিয়ে আছি। রইল বাকি ফিনান্স। ওখানে আমাদের আরও অনেক কিছু করার আছে। মনে রাখতে হবে, ক্ষুধার রাজ্যে কিন্তু পৃথিবী গদ্যময়। তাই অর্থনীতিতে জোর দিতে হবে।”

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের কী ভূমিকা আছে, সে কথা বলতে গিয়ে বরুণ দাস বলেন, “আমি ভেবেছি, পৃথিবী জুড়ে যে যুদ্ধ চলছে, তাতে আমার কী করার আছে? আমিও তো বিশ্ব নাগরিক হিসেবে একটা অংশ। আমি মনে করি, দুটো ব্যাপারে নজর দেওয়া উচিৎ। এক, আমরা নিজেদের মধ্যে নতুন করে কোনও যুদ্ধ করব না, আর নিজের কাজটা করব।”

আমেরিকার তৃতীয় প্রেসিডেন্ট থমাস জেফার্সন, যাঁকে আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়, তাঁর কথা উল্লেখ করে বরুণ দাস বলেন, “উনি একসময় বলেছিলেন, আমি ভাগ্যে বিশ্বাস করি। কিন্তু যত বেশি পরিশ্রম করি, তত ভাগ্য সদয় হয়। তাই কাজই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ।”

সব শেষে TV9 নেটওয়ার্কের এমডি-সিইও বলেন, “আজ যাঁদের আমরা সম্মানিত করব, তাঁদের প্রত্যেকের অসাধারণ কৃতিত্ব রয়েছে। এখানে তাঁদের মধ্যে বসে থাকাটাই আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।”

Follow Us