Kaliachak Case: এক মামলায় জামিন হলেও জেলেই থাকতে হচ্ছে মোফাক্কেরুলকে

NIA in Kaliachak case: সম্প্রতি কালিয়াচক-কাণ্ডে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল রাজ্য-রাজনীতি। বিস্তর চর্চা চলেছিল জাতীয় আঙিনায়। এদিকে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন মোফাক্কেরুল। এরইমধ্যে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

Kaliachak Case: এক মামলায় জামিন হলেও জেলেই থাকতে হচ্ছে মোফাক্কেরুলকে
মোফাক্কেরুল ইসলাম।Image Credit source: TV9 বাংলা

| Edited By: জয়দীপ দাস

Apr 16, 2026 | 10:37 PM

কলকাতা: কালিয়াচক কাণ্ডে ধৃত মিম নেতা মোফাক্কেরুল ইসলামের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড়। এনআইএ-র (NIA) হাতে যাওয়া একগুচ্ছ মামলার মধ্যে একটিতে জামিন। কিন্তু অন্য একটি মামলায় আদালত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফলে জামিন মিললেও এখনই হচ্ছে না জেলমুক্তি। 

রাজ্য পুলিশের হাত থেকে নিয়ে এনআইএ সম্প্রতি যে ১২টি মামলা রি-রেজিস্টার করেছে, তার মধ্যে ৫টি মামলায় নাম রয়েছে মোফাক্কেরুলের। এর মধ্যে একটি মামলায় আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। জানা গিয়েছে, এই মামলার প্রতিটি ধারা জামিনযোগ্য ছিল। বাকি মামলাগুলির মধ্যে একটি কেসে জেল হেফাজত হল তাঁর।

সম্প্রতি কালিয়াচক-কাণ্ডে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল রাজ্য-রাজনীতি। বিস্তর চর্চা চলেছিল জাতীয় আঙিনায়। এদিকে বিচারকদের ঘেরাও করার ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দিয়েছিলেন মোফাক্কেরুল। একটি ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা যায়, উত্তাল ভিড়ের মাঝে গাড়ির ওপর দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দিচ্ছেন তিনি। পুলিশের দাবি, তাঁর উস্কানিতেই পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এরইমধ্যে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, তিনি বেঙ্গালুরুতে পালানোর ছক কষেছিলেন।

রাজনীতির ময়দানে আবার মোফাক্কেরুল ইসলাম এক পরিচিত মুখ। পেশায় আবার হাইপ্রোফাইল আইনজীবী। আগে জেলা আদালতে প্র্যাকটিস করলেও বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে তাঁর যথেষ্ট জনপ্রিয়তা রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও প্রচুর অনুগামী। ২০২১ নির্বাচনে মিমের প্রার্থী হয়েছিলেন। ২০২৬-এর নির্বাচনে প্রার্থী না হলেও মালদহ জেলায় মিমের সংগঠন মজবুত করতে তিনি অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন। কালিয়াচকের ঘটনায় মিম-কে সরাসরি কাঠগড়ায় তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইটাহারের বাসিন্দা হওয়া সত্ত্বেও মোফাক্কেরুল কেন মালদহে গিয়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন তা নিয়েও তৈরি হয়েছিল চাপানউতোর। খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA।

Follow Us