Kajal Sheikh: ‘বিজয়ার মিষ্টি খাওয়া যাবে না, জানতাম না’, ‘নিরাপত্তা উঠতেই’ অভিযোগ কাজল শেখের, স্পিকারের দ্বারস্থ বিধায়ক

Kajal Sheikh Security: কাজল শেখের নিরাপত্তায় ২০২১ সালে ৬ জন নিরাপত্তারক্ষী ও পিএসও ছিলেন। ২০২৩ সালে জেলা পরিষদের সভাধিপতি হওয়ার পরে ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা পান। ২০২৬ সালের শুরু থেকে তিনি ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি পাচ্ছিলেন। তবে, রাজ্যে পালাবদলের পর তাঁর ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়।

Kajal Sheikh: বিজয়ার মিষ্টি খাওয়া যাবে না, জানতাম না, নিরাপত্তা উঠতেই অভিযোগ কাজল শেখের, স্পিকারের দ্বারস্থ বিধায়ক
কাজল শেখImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Oct 29, 2026 | 6:51 PM

কলকাতা: নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন হাসনের বিধায়ক কাজল শেখ (Kajal Sheikh)। বৃহস্পতিবার দু’জন নিরাপত্তারক্ষী নিয়ে বিধানসভায় ঢুকেছিলেন ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক। তারপর বৈঠকে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। হঠাৎই বিধায়ক বৈঠকের মাঝে জানতে পারেন, তাঁর দুই নিরাপত্তারক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। কাজলের অভিযোগ, তাঁর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা করা হয়েছে। এবার সুরক্ষা চেয়ে বিধানসভায় অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুর (Rathindra Basu) দ্বারস্থ হয়েছেন হাসনের বিধায়ক। একইসঙ্গে নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কারণ হিসেবে বড় অভিযোগ তুলে দিয়েছেন কাজল শেখ।

কাজল শেখের নিরাপত্তা

কাজল শেখের নিরাপত্তায় ২০২১ সালে ৬ জন নিরাপত্তারক্ষী ও পিএসও ছিলেন। ২০২৩ সালে জেলা পরিষদের সভাধিপতি হওয়ার পরে ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা পান। ২০২৬ সালের শুরু থেকে তিনি ওয়াই প্লাস সিকিউরিটি পাচ্ছিলেন। তবে, রাজ্যে পালাবদলের পর তাঁর ওয়াই ক্যাটাগরির নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়। তারপর ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পরই নিরাপত্তা বাড়ানো হয় কাজলের। সেই নিরাপত্তাই ফের তুলে নেওয়া হয়েছে।

কী অভিযোগ কাজল শেখের?

হঠাৎ নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কারণ নিয়ে বলতে গিয়ে কাজলের অভিযোগ, “বিজয়ার মিষ্টি খাওয়া যাবে না, সেটা জানতাম না। বিধানসভায় দেখা হবে না? সবার সঙ্গে সবারই দেখা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আমি যদি বিজয়ার মিষ্টি খাওয়ার জন্য অপরাধ করি।তাহলে আবারও সেই অপরাধ করব।আমি চাইব আমার নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়া হোক।আমি কোনও ভাগের নেই।”

উল্লেখ্য, বুধবার শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়ের হাতে বিজয়ার মিষ্টি খেয়েছিলেন ঋত-শিবিরের বিধায়ক কাজল শেখ। এই বিষয়ে শোভনদেব বলেছিলেন, “কাজলের সঙ্গে দেখা হল। হাতটা ধরে ফেললাম। বললাম, চল তো…। ঘরে নিয়ে গিয়ে মিষ্টি খাওয়ালাম। সবাই মিষ্টি খেল।” তাহলে কি মিষ্টি খাওয়াই কাল হল? কাজল শেখের বক্তব্যে সেরকমই ইঙ্গিত ছিল।

নিরাপত্তা চেয়ে স্পিকারের দ্বারস্থ হয়েছেন হাসনের বিধায়ক। চিঠি লিখেছেন তিনি। বিরোধী দলের মুখ্য সচেতকের কাছেও প্রতিকার চেয়েছেন কাজল। তাঁর পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন আখরুজ্জামান। বলেন, “বিধায়কদের নিরাপত্তার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। অধ্যক্ষকে জানাব।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us