
কলকাতা: উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় ও এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে তৈরি হয়েছে ‘নব তৃণমূল ব্লক’। আপাতত সেখানেই ভিড় জমিয়েছেন তৃণমূলের অনেকে। কাউন্সিলর-বিধায়ক, প্রাক্তন-নতুন নেতা-কর্মী কে নেই। এমনকী, সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী-বিশ্বস্ত সব তাবড় নেতারাও আজ যোগ দিয়েছেন ঋতব্রতদের শিবিরে। তবে, নব তৃণমূলের একটাই মন্ত্র বিতর্কিত কোনও নেতা, অর্থাৎ যাঁরা জেল খেটে এসেছেন তাঁদের নিয়ে কী ভাবছে নতুন তৃণমূলের এই ব্লক? রবিবার টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে সেই কথাই বললেন সন্দীপন সাহা (Sandipan Saha)।
শনিবার তপসিয়ায় ঋতব্রত শিবিরের বৈঠক ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনেকে। সেই বৈঠক থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনেককে। দেখা গেল স্বশরীরে বীরভূমের বাঘ অনুব্রত মণ্ডল উপস্থিত হতে না পারলেও বীরভূমের জেলা সভাপতির দায়িত্ব ফের একবার ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তখনই স্পষ্ট হয়ে যায় মমতার সেই ‘কেষ্ট’ সেও মুখ ফিরিয়েছেন। গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তিহাড় জেলে কাটিয়েছেন বহু দিন। জেলবন্দি অনুব্রতকে বীরের সম্মান দিতে চেয়েছিলেন সুপ্রিমো। অথচ বদলের বাংলায় সেই মমতারই হাত ছাড়লেন অনুব্রত মণ্ডল। অন্যদিকে, রেশন দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনিও জেল খেটেছেন বহুদিন। তারপরও ছাব্বিশের ভোটে মমতা তাঁর স্নেহের ‘বালুকে’ টিকিট দিয়েছিলেন। এখন সেই কেষ্ট-বালু দুজনই ঋতব্রতদের দলে। ন
এর আগে সন্দীপন-ঋতব্রতরা বলেছিলেন, সকলের জন্য় অবারিত দ্বার নয় এই ব্লক। বেছে বেছে নেওয়া হবে সকলে। তাহলে অনুব্রত-জ্যোতিপ্রিয়র ক্ষেত্রে কী যুক্তি? এ নিয়ে বলতে গিয়ে সন্দীপন বলেন, “অনুব্রত দক্ষ সংগঠক। তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয়নি। তাঁকে নিতে অসুবিধা কী? বীরভূমে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করেছেন। তিনি আমাদের সঙ্গে থাকবেন পথ চলবেন স্বাভাবিক।” আর জ্যোতিপ্রিয়র ব্যাপারে বললেন, “জ্যোতিপ্রিয়কে স্টেট কমিটিতে নেওয়া হয়েছে। যদি ভবিষ্যতে তাঁর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন হয় বা আইনি ব্যাপার থাকলে ভেবে দেখব। এখনও চার্জ গঠন হয়নি।”
সন্দীপনের আরও সংযোজন, এরা গ্রেফতার হয়েছেন ঠিকই। তবে মামলা বিচারাধীন। দোষী সাব্যস্ত হয়নি। যদি আইনি পদক্ষেপ ভবিষ্যত তখন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।