Mamata Banerjee: বড় খবর, সব হারিয়ে নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দিলেন তিনি। উপনির্বাচনের আগে দলের প্রতীক ও নাম দুই-ই গিয়েছে মমতার। এরই মধ্যে নন্দীগ্রাম থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মমতার প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। দুই কুল হারিয়ে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসকেই সমর্থন করলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

কলকাতা: নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দিলেন তিনি। উপনির্বাচনের আগে দলের প্রতীক ও নাম দুই-ই হারিয়েছেন। এরই মধ্যে আরও অস্বস্তি বাড়িয়ে নন্দীগ্রাম থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মমতার প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে। দুই কুল হারিয়ে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসকেই সমর্থন করার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।
উপনির্বাচনে জোট বাঁধতে চেয়েও কংগ্রেসের তরফে সাড়া পাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে একটা দূরত্ব, মন কষাকষি তৈরি হয়েছিল। তবে, প্রতীক হারাতেই সব ভুলে মমতার পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় রাহুল গান্ধীকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, এই লড়াই শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একার নয়। এটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় এমন প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং প্রত্যেক ভোটারের লড়াই। কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হন। এই নিয়ে আজ, শুক্রবার সকালেই রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এরপরই বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তাহলে কি রাহুলের ফোনের পরই সমীকরণ বদলে গেল? যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা আগেই ভেবেছিলেন তাঁরা। এটা পুরোটাই নাকি রাহুলের কাছে সারপ্রাইজ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমরা ঠিক করেছি নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করব। দেশের কথা চিন্তা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল। কংগ্রেস এই বিষয়ে কিছু জানত না। ওদের প্রার্থী ভাল, সেই জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রেজিনগর নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেব।”
সাংবাদিক বৈঠক থেকে কড়া বার্তাও দিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “আজ ব্ল্যাক ডে। গণতন্ত্রের কালো দিন। অসাংবিধানিক, পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন। কমিশনের সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক। আমরা মাথা নত করব না, এর জবাব আমরা দেব।”
কংগ্রেসকে সমর্থন প্রসঙ্গে অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, “নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে দাঁড় করিয়েছিলেন, তিনি ময়দান ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছেন। তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনে হয়ে কংগ্রেসকে সমর্থন করা উচিত। রাজনৈতিক দলের নেত্রী হিসেবে এটা তাঁর সিদ্ধান্ত। আমাদের সমর্থন করলে করবেন। তাঁর দলের তো কেউ নেই, কার হয়ে লড়বেন?”
