
কলকাতা: আসন সংখ্যা নিয়ে শুরুতে বিবাদ থাকলেও ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে সিপিএমের সঙ্গেই জোট করে লড়াই করেছিল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (ISF)। এবার উপ নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের আগে আবারও তৈরি হয় সংঘাত? সিপিএম (CPIM) প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার পরই আলিমুদ্দিনের সঙ্গে আলোচনার কথা সামনে আনলেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী।
সোমবার বিধানসভায় সাংবাদিক বৈঠকে নওশাদ জানিয়েছেন, আইএসএফের তরফে তিনবার বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসুকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু উত্তর আসেনি। ফোনেও কথা বলা হয়েছিল আলিমুদ্দিনের সঙ্গে। এরপর আলিমুদ্দিনের তরফ থেকে জানানো হয়, অসুস্থ থাকার কারণে বেশ কিছুদিন কথা বলতে বারণ করা আছে বিমান বসুকে। এরপর সিপিএমের সেক্রেটারি অর্থাৎ মহম্মদ সেলিমের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নওশাদরা। তাঁকে জানানো হয় পরের মিটিং আছে। তারপরও কিছু জানানো হয়নি বলে দাবি নওশাদের।
এরপর প্রার্থী ঘোষণা করে দেয় সিপিএম। নওশাদ বলেন, “স্পষ্ট হয়ে যায় যে এবার আলাদা চলতে চাইছে সিপিএম। তবে যেহেতু উপনির্বাচনটা ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গেই যুক্ত, তাই এক্ষেত্রেও সেই নীতির মধ্যেই থাকছে আইএসএফ।” নওশাদ জানান, যেহেতু বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রার্থী দিয়েছিলেন, তাই সেখানে এবার আইএসএফ প্রার্থী দিচ্ছে। তবে রেজিনগরে কোনও প্রার্থী দিচ্ছে না তারা।
বামফ্রন্টের সঙ্গে আগামিদিনে পথচলা কেমন হবে, এই প্রশ্নের উত্তরে নওশাদ বলেন, “বামফ্রন্ট আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করেই প্রার্থী দিয়েছে। মানুষ দেখুক, আইএসএফ ফ্রন্ট ভেঙেছে, নাকি তাকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এটা রাজনীতি সচেতন মানুষের হাতে ছেড়ে দিলাম।”