AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

নওশাদ সিদ্দিকী

নওশাদ সিদ্দিকী

২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি। পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী বাংলায় বসেই ঘোষণা করলেন নতুন এক রাজনৈতিক দলের। নাম ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ (ISF)। আব্বাস জানালেন, এবার ভোটে লড়ছেন তাঁরা। হইহই পড়ে গিয়েছিল তখন। এরপর ভোট ঘোষণা, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ। সেবার বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে ঘোষণা করে সংযুক্ত মোর্চার। একুশের ভোটে আসন সমঝোতার মধ্যে দিয়ে এই তিন দল একসঙ্গে লড়াই করেছিল। মার্চ মাসের মাঝামাঝি আইএসএফ তাদের দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। সেখানে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের প্রার্থী হিসাবে নাম উঠে আসে আব্বাসের ভাই মহম্মদ নওশাদ সিদ্দিকীর। রাজনীতিতে একেবারে নতুন মুখ। বয়স মাত্র ২৮ বছর। ২০১৫ সালে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাশ করেন তিনি।

ভাঙড়ের মতো আসনে এমন একজনকে মুখ করায় বেশ চর্চাও হয়। এরপর নির্বাচন, ২০২১ সালের ২ মে ফলপ্রকাশ। সংযুক্ত মোর্চার একজন মাত্র প্রার্থীই জেতেন, নাম নওশাদ সিদ্দিকী। বিধানসভায় সেবার বাম-কংগ্রেস শূন্য। সংযুক্ত মোর্চার মুখ বাঁচিয়েছিলেন একমাত্র এই আনকোরা ছেলেটি। আর তাঁর হাত ধরেই বঙ্গ বিধানসভার অলিন্দে আইএসএফের পথ চলা শুরু। এরপর ধীরে ধীরে বাংলার রাজনীতিতে নওশাদ সিদ্দিকী অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ নাম হয়ে ওঠে। বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে রেখে বিভিন্ন সময় পথে নামতে দেখা যায় তাঁকে। ২০২৩ সালের ২১ জানুয়ারি ধর্মতলায় আইএসএফের এক কর্মসূচি ঘিরে অশান্তির অভিযোগ ওঠে। নওশাদকে গ্রেফতার করেছিল কলকাতা পুলিশ। সেই ঘটনায় ৪০ দিন জেলে ছিলেন নওশাদ। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ৪০ দিন পর জামিনে ছাড়া পান তিনি।

Read More

Tension in Bhangar: প্রার্থী ঘোষণা হতেই বদলে গেল ভাঙড়ের ছবিটা, ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে

Bhangar: ফের উত্তেজনা নওশাদের বিধানসভায়। ঘটনা উত্তর কাশিপুর থানার চণ্ডীহাট এলাকার। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার পরেই এলাকায় আবির খেলায় মেতেছিল আইএসএফের কর্মী-সমর্থকরা। সেখান থেকেই তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তিনজন তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

Arabul Islam: শওকতের ছেড়ে আসা ক্যানিং পূর্বে আইএসএফের তুরুপের তাস ভাঙড়ের আরাবুল

Arabul Islam in ISF: তবে ভাঙড়ে শওকত-নওশাদের লড়াই যে এবারের ভোটে অন্য মাত্রা পেতে চলেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। গত পাঁচ বছর ধরে নওশাদ শিবির আর শওকতের শিবিরের লড়াই বার বার খবরের শিরনামে এসেছে। ঝরেছে রক্ত, তপ্ত হয়েছে রাজনৈতিক আঙিনা। রাজনৈতিক মহলের অনেকেই বলছেন, এবারের ভোটে ভবানীপুর যদি এপিসেন্টার হয় তবে ভাঙড় অবশ্যই যুদ্ধভূমি হচ্ছেই।

ISF: ভাঙড়ে শওকতের বিরুদ্ধে নওশাদই, গড় ধরে রাখতে পারবেন বিদায়ী বিধায়ক?

West Bengal assembly election 2026: ভাঙড়ে তৃণমূল প্রার্থী করেছে ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে। আর এদিন ISF ঘোষণা করল, বিদায়ী বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীই ভাঙড়ে প্রার্থী হচ্ছেন। গত পাঁচ বছরে পরস্পরকে লাগাতার নিশানা করেছেন নওশাদ ও শওকত। এবার তাঁরা পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী।

Naushad Siddiqui: নন্দীগ্রামে বড় খেলা হবে, সিপিএম-কেও ছাড়ল না আইএসএফ, আর কোথায় কোথায় লড়ছেন নওশাদরা?

West Bengal assembly election: এদিন আইএসএফের ঘোষণায় নন্দীগ্রাম নিয়ে নতুন করে জল্পনা ছড়াল। নন্দীগ্রামে বিজেপির টিকিটে লড়ছেন বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূল প্রার্থী করেছে পবিত্র করকে। আর সিপিএম আসনটি সিপিআইকে ছেড়েছে। বামফ্রন্ট ঘোষণা করেছে, নন্দীগ্রামে সিপিআইয়ের প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন শান্তি গিরি। এখন আইএসএফ-ও জানিয়ে দিল, তারা নন্দীগ্রামে লড়াই করা নিয়ে অনড়। বামেদের প্রার্থী প্রত্যাহারের অনুরোধ জানাল।

Left front and ISF alliance: কাটছেই না জোট জট, কী করবেন বিমান-নওশাদরা?

West Bengal assembly election: এবার দুই দফায় ভোট। শেষ দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। অর্থাৎ আর এক মাস ১০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে। তারপরও এখনও আইএসএফ ও বামফ্রন্টের জোটের জট কাটেনি। কারণটা কী? জানা গিয়েছে, এখনও আমডাঙা, হরিহরপাড়া-সহ ৫-৬টি আসনে আসন সমঝোতা নিয়ে জট রয়েছে।

CPIM: দফায় দফায় বৈঠক হচ্ছে, সিপিএম-আইএসএফ জোটটা আদৌ হচ্ছে তো? কী বললেন নওশাদ

ISF: বৈঠক শেষে নওশাদ জানান, লোকসভা ভিত্তিক আলোচনা হচ্ছে, সিট ধরে ধরে আলোচনা হয়েছে এদিন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার পরে জানানো হবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, কিছু কিছু আসন নিয়ে নিজেদের শর্তে অনড় রয়েছে আইএসএফ ও সিপিএম। ওই আসনগুলির ক্ষেত্রে কেউ সমঝোতা করতে নারাজ।

Naushad Siddiqui: হুমায়ুনের সঙ্গে জোট নিয়ে কথা হয়েছিল ISF-র? সবটা বলে দিলেন নওশাদ

Naushad Siddiqui on alliance with Humayun: গত বছরের ডিসেম্বরে নতুন দল গঠনের পর হুমায়ুন জানিয়েছিলেন, তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা করবেন। জোট বার্তা দেন সিপিএম, আইএসএফ, মিমের মতো দলকে। কিন্তু, এখন তিনি সিপিএম ও আইএসএফের সঙ্গে জোট করতে চান না। হুমায়ুনের বক্তব্য শুনে নওশাদ বলছেন, "তৃণমূল ও বিজেপি বিরোধী ভোট যাতে ভাগ না হয়ে, তা দেখতে হবে। কিন্তু, হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আমরা কোনও আলোচনা করিনি।"

Humayun Kabir: জোট-অঙ্ক ঘেঁটে ঘ! সিপিএম-কে খেলাচ্ছেন নওশাদ? আসরে বিমান

CPIM-ISF-Humayun: আইএসএফের জন‍্য বাড়তি কোনও সিট ছাড়তে নারাজ ফরওয়ার্ড ব্লক সহ অন‍্যান‍্য দল। আইএসএফ আগের থেকে বেশি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাইছে বলেই জানা যাচ্ছে। এদিকে ৫০ আসনে লড়তে চাইছে আইএসএফ। নওশাদকে ৫০ আসন ছাড়লে বামফ্রন্টকে নতুন করে জোট অঙ্ক করতে হবে।

CPM-ISF-Congress: এবার কি একলা হাঁটবে সিপিএম?

Bengal Politics: ভোট এলেই বাংলায় বারবার ফিরে ফিরে এসেছে থার্ড ফ্রন্টের ছবিটা। লড়াইয়ে থেকে বাম কংগ্রেস। একুশের বিধানসভায় বাংলা দেখেছে বাম কংগ্রেস আইএসএফের সংযুক্ত মোর্চা। কিন্তু এবার ছাব্বিশের ভোটে কী ফের সেই জোটের ছবি দেখা যাবে? জল কোন দিকে গড়াচ্ছে? চলুন একবার ৩৬০ ডিগ্রি অ্য়াঙ্গেলে ঘুরে দেখি কী বলছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে ফুরফুরা শরিফ।

Naushad Siddiqui: বিমান বসুকে দেওয়ার চিঠির উত্তর পেয়েই আলিমুদ্দিনে হাজির নওশাদ

CPIM-ISF: গত বিধানসভা নির্বাচনে একজোট হয়ে লড়েছিল সিপিএম, কংগ্রেস ও আইএসএফ। কিন্তু সেই ভোটে শুধুমাত্র একটি আসন পায় আইএসএফ, বাকিরা কেউ খাতাই খুলতে পারেনি। এরপর ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে জোটের বিষয়ে আলোচনা হলেও সিপিএম ও আইএসএফ আসন সমঝোতা নিয়ে একমত হতে না পারায়, তারা পৃথকভাবেই লড়াই করে। পরে আবার উপ নির্বাচনে একসঙ্গে লড়াই করে দুই দল।