Mahua and Kakoli: ‘অ্যাডভান্স ৪ কোটি পেয়েছেন’, এমন কথা মহুয়া বলতেই বড় পদক্ষেপ কাকলিদের

Mahua Moitra: মহুয়া মৈত্র বলেন, "ওদের ভয়...কীসের ভয়...আমাকেও ইডি-সিবিআই ডেকেছিল। আমার ভয় নেই। ওদের ভয় সম্পত্তি বাঁচানোর। ভয় হচ্ছে আমার কেরিয়ার শেষ। কোন কালে অভিনেত্রী ছিলাম সেটা শেষ। কোথায় দু'তিনটে অনুষ্ঠান আছে ক্যান্সেল আছে। ভয় হল, কোথায় জমি দখল করেছি বেআইনিভাবে পুলিশ ডান্ডা মারছে সেটার ভয়। আর ভয় হল নিজের পাপের ভয়। আর টাকা খাওয়ার জন্য গেছে।"

Mahua and Kakoli: অ্যাডভান্স ৪ কোটি পেয়েছেন, এমন কথা মহুয়া বলতেই বড় পদক্ষেপ কাকলিদের
মহুয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপImage Credit source: PTI

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 20, 2026 | 8:33 PM

কলকাতা: দল ছাড়তেই কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) নিশানায় বিদ্রোহী সাংসদরা। কুড়ি জন বিদ্রোহী সাংসদের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ মহুয়ার। তাঁর দাবি, ওই সকল বিদ্রোহী সাংসদরা অগ্রিম ৪ কোটি টাকা পেয়েছেন। আর তাঁর মন্তব্যেরই পাল্টা কৃষ্ণনগরের সাংসদের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হতে চলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা (Kakali Ghosh Dastidar)।

টিভি ৯ বাংলাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে NCPI সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, “দেশের সুরক্ষা বিঘ্নিত করে পাসওয়ার্ড দেওয়ার জন্য বহিষ্কার করা হয়েছিল তিনি কত নিয়ে কী করেছিলেন দেশবাসী জানেন। আর এখন তিনি টাকার অঙ্ক বলে দিচ্ছেন, এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নিয়েছি। এই কুড়ি জন সাংসদ অনৈতিকতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। বিধানসভা নির্বাচনে আমরা বাংলার মানুষের রায় মাথা পেতে নিয়ে ওইদল থেকে বেরিয়ে অন্য দলে যোগদান করেছি। এর মধ্যে কোনও লেনদেনের গল্প নেই। উনি একটা অঙ্ক বলে দিচ্ছেন, লেনদেনের গল্প বলে দিচ্ছেন। উনি জানলেন কীভাবে?”

মহুয়ার কী দাবি?

কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্প্রতি একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, “তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা পেয়েছেন ৪ কোটি টাকা। ৩৬ মাস পর্যন্ত প্রতিমাসে ১ কোটি করে পাবেন।” পরে সর্বভারতীয় একটি সংবাদ-মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়েও মহুয়া মৈত্র বলেন, “ওদের ভয়…কীসের ভয়…আমাকেও ইডি-সিবিআই ডেকেছিল। আমার ভয় নেই। ওদের ভয় সম্পত্তি বাঁচানোর। ভয় হচ্ছে আমার কেরিয়ার শেষ। কোন কালে অভিনেত্রী ছিলাম সেটা শেষ। কোথায় দু’তিনটে অনুষ্ঠান আছে ক্যান্সেল আছে। ভয় হল, কোথায় জমি দখল করেছি বেআইনিভাবে পুলিশ ডান্ডা মারছে সেটার ভয়। আর ভয় হল নিজের পাপের ভয়। আর টাকা খাওয়ার জন্য গেছে।”

Follow Us