
কলকাতা: বাংলার পাশাপাশি বদলে গিয়েছে তৃণমূলের দিল্লির সমীকরণও। রাতারাতি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে ভিড়েছেন এক ঝাঁক সাংসদ। তা নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই শতাব্দীর বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাতে লম্বা বৈঠক করে ফেললেন NCPI সাংসদরা। সূত্রের খবর, বৈঠকে ছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।
এদিকে এদিনই আবার দিল্লি যাওয়ার কথা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। স্পিকারের সঙ্গে দেখা করার কথাও রয়েছে। অন্যদিকে এনসিপিআই-র মতো নাম না জানা দলে যোগদানের জন্য লাগাতার সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণের মুখে পড়ছেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধরা। এই অবস্থায় মানুষকে কী বলবেন সাংসদরা? কেন এই সিদ্ধান্ত? তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রয়োজনে তাঁরা আইনি পথেও হাঁটতে পারেন। এমন সিদ্ধান্তও হয়েছে বৈঠকে।
সূত্রের খবর, অভিষেক এদিন ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে যা বলতে পারেন তা আগাম অনুধাবন করে তার প্রত্যুত্তরও তৈরি করে ফেলেছেন বিক্ষুব্ধরা। সামনেই আবার সাংসদে বাদল অধিবেশন। তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে পুরোদমে। নতুন ঘরও দেওয়া হচ্ছে বিক্ষুদ্ধ সাংসদদের। এই আবহে তাঁদের স্ট্র্যাটেজি কী হবে, তাঁরা যে সংসদীয় এলাকার মানুষের ভোটে দিতেছেন তাঁদেরই বা আগামীতে কী উত্তর দেবেন তা নিয়েও বিস্তর আলোচনা হয় বিক্ষুব্ধদের বৈঠকে।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের সংসদীয় দলে ভাঙন নিয়ে লোকসভার স্পিকারকে আগেই চিঠি দিয়েছেন অভিষেক। সেই চিঠির প্রেক্ষিতেই তৃণমূল সাংসদকে সময় দিয়েছেন ওম বিড়লা। বিদ্রোহীদের আলাদা ব্লক অবৈধ। চিঠি সোচ্চারে এই দাবিই করেছেন অভিষেক। এখন অভিষেকের সঙ্গে দেখা করার পর স্পিকার কী জানান সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।