Kolkata municipal corporation: জন্ম-মৃত্যুর সার্টিফিকেট ফের খতিয়ে দেখার নির্দেশ

Kolkata municipal corporation: প্রশাসন সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভা এই সার্টিফিকেট ইস্যু করলেও নিয়ন্ত্রণ করত রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যের জন্ম-মৃত্যু যে পোর্টাল রয়েছে, সেখানে মূলত নথি যাচাই হতো। তারপর কলকাতা পুরসভা হয়ে সাধারণ মানুষের হাতে সার্টিফিকেট পৌঁছয়।রাজ্য প্রশাসনের আশঙ্কা, বহিরাগত হোক বা ভোট অংকের লোভে তৃণমূল পরিচালিত তৎকালীন প্রশাসন একাধিক জনের নাম এভাবে তুলে দিয়ে গিয়েছে।

Kolkata municipal corporation: জন্ম-মৃত্যুর সার্টিফিকেট ফের খতিয়ে দেখার নির্দেশ
কলকাতা পুরসভাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

May 25, 2026 | 11:19 PM

কলকাতা: এসআইআর (SIR)-এর সময় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভা যেন দ্রুত গতিতে সার্টিফিকেট দেয়। একইসঙ্গে ডোমিসাইল সার্টিফিকেটও যেন দ্রুত বণ্টন করে।দ্রুততার সঙ্গে বিলি করা জন্ম এবং মৃত্যু সার্টিফিকেটগুলির জন্য জমা করা নথি এবার খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য।

একই সঙ্গে যে সার্টিফিকেটগুলি ইস্যু করা হয়েছিল, সেগুলি ও খতিয়ে দেখা হবে বলে রাজ্যের তরফে কলকাতা পৌরসভাকে নোটিস দিয়ে জানানো হল। কলকাতা পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য বিভাগে যে নোটিস পাঠানো হয়েছে, তাতে উল্লেখ রয়েছে- ১৪ মে ২০২৫ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত অফলাইনে ইস্যু হওয়া যাবতীয় সার্টিফিকেট খতিয়ে দেখা হবে।

প্রশাসন সূত্রে খবর, এসআইআর পর্বে সার্টিফিকেট ইস্যুতে কোথাও না কোথাও অনিয়ম হয়েছে। নাগরিকত্ব যাচাইয়ে এই নথিগুলি ব্যবহার করে ভোটার তালিকায় নাম তোলার চেষ্টা হয়েছে। যে কারণে এই দ্রুততার সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে নথি সঠিক ভাবে যাচাই হয়নি। এমনকী, জন্ম সাল বা জন্ম তারিখ অথবা ঠিকানার ক্ষেত্রে অনিয়ম করা হয়েছে বলে আশঙ্কা রাজ্য প্রশাসনের। যাবতীয় ইস্যু করা সার্টিফিকেট এবার স্ক্যানারে রাজ্য প্রশাসনের। পাশাপাশি, উল্লেখিত নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে দু’টি পোর্টাল থেকে মূলত এই নথি যাচাই এবং সার্টিফিকেট ইস্যুর মত কাজ করা হতো, সেগুলিও আপাতত বন্ধ করার নির্দেশ।

প্রশাসন সূত্রে খবর, কলকাতা পুরসভা এই সার্টিফিকেট ইস্যু করলেও নিয়ন্ত্রণ করত রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যের জন্ম-মৃত্যু যে পোর্টাল রয়েছে, সেখানে মূলত নথি যাচাই হত। তারপর কলকাতা পুরসভা হয়ে সাধারণ মানুষের হাতে সার্টিফিকেট পৌঁছয়। রাজ্য প্রশাসনের আশঙ্কা, বহিরাগত হোক বা ভোট অঙ্কের লোভে তৃণমূল পরিচালিত তৎকালীন প্রশাসন একাধিক জনের নাম এভাবে তুলে দিয়ে গিয়েছে। সেগুলি এবার ধরে ধরে খতিয়ে দেখে আইন মাফিক ব্যবস্থা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বলেন, “হঠাৎ জন্ম-মৃত্যুর যে হারে ধুম পড়ে গিয়েছিল…কীভাবে যে জন্ম সার্টিফিকেট বের করল কে জানে? এখানেও মনে হয় দুর্নীতি হয়েছে, মাস্টার মাইন্ড হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নাম আসবে।” ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ বলেন, “এর আগে বিরোধী দলনেতা হিসাবে প্রশ্ন করেছিলেন। সেই সময় হাউসে দাঁড়িয়ে উত্তর দিয়েছি। এই রিভিউতে কোনও অসুবিধা নেই।”

Follow Us