
কলকাতা: পুরনিয়োগ দুর্নীতি (Municipal Scam) মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সমন পেয়েছিলেন সুজিত বসু (Sujit Basu)। একই সঙ্গে ডাক পড়ে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষেরও। যদিও অসুস্থতার কারণে তিনি হাজিরা দিতে পারেননি। অপরদিকে সুজিতকে সোমবার রাতেই তুলে নিয়েছে ইডি। আর রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী গ্রেফতার হতেই মুখ খুললেন রাজারহাট-গোপালপুরের বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারির। এরপর কে-কে গ্রেফতার হবে তা আগেই বলে দিলেন তিনি।
নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো বার্তা দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। সেখান থেকে তরুণজ্যোতি বলেন, “এই চোরগুলোর গ্রেফতারি আগেই হওয়া উচিত ছিল। একটা উইকেট পড়েছে, বাকিগুলোও পড়বে। রাজারহাট গোপালপুরে একটা বড় চোর আছে দেবরাজ চক্রবর্তী। তাঁর সময়ও ঘনিয়ে এসেছে।” তিনি আরও বলেন, “তাঁকেও জেলে যেতে হবে। দক্ষিণ দমদম নিয়োগ দুর্নীতিতে যাঁরা-যাঁরা যুক্ত তাঁদের সকলকে জেলে যেতে হবে। আর শুধু দক্ষিণ দমদম নয়, গোটা রাজ্যের পুরসভায় যে যে দুর্নীতি করেছে সবার কপালে জেলের ভাত অপেক্ষা করছে। এই লড়াই থামবে না। যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ চোরটা জেলে যায়।”
মূলত, ২০২৩ সালে নিয়োগ মামলায় অয়ন শীলকে (Ayan Shil) গ্রেফতার করেছিল গোয়েন্দারা। অয়নের বাড়িতেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির হদিশ পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তখনই সন্দেহ দানা বাঁধে তাঁদের।এরপর ইডি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোঁরায় তল্লাশি যায়। গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল, কিচেন ছাড়াই রেস্তোরাঁ কীভাবে চলছে? সেই রেস্তোঁরার আড়ালে কালো টাকা সাদা করতেন মন্ত্রী,দাবি ইডির আধিকারিকদের। আজ প্রায় সাড়ে দশঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ চলে আর তারপরই গ্রেফতার হন সুজিত।