
কলকাতা: রাজারহাটের জগদীশপুর মৌজায় ভারতীয় সেনাকর্মী-সহ ১৪ জনের বৈধভাবে কেনা জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টার অভিযোগ উঠল একটি বেসরকারি নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ২০১৪ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে নিজেদের টাকা দিয়ে যৌথভাবে কয়েক শতক জমি কিনেছিলেন তাঁরা। জমির মালিকদের তালিকায় একাধিক কর্মরত সেনাকর্মীও রয়েছেন।
অভিযোগ, সম্প্রতি তাঁদের জমিতে দেওয়া সীমানা পিলার উপড়ে ফেলা হয়েছে এবং ঝুলানো ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলে জমি দখলের চক্রান্ত চালানো হচ্ছে। অসাধু কিছু ব্যবসায়ী ও নির্মাণকারী সংস্থার বিরুদ্ধে জোরজুলুমের এই অভিযোগ তুলে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজারহাট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন জমির মালিকরা। এর পাশাপাশি প্রশাসনের বিভিন্ন দফতর ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছেও বিচার চেয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
প্রতারিত এক সেনাকর্মী বলেন, “জীবনের পুঞ্জীভূত সঞ্চয় দিয়ে কেনা সম্পত্তি এভাবে জবরদখল হতে দেওয়া যায় না। কোনও অসাধু চক্র যেন আইনসম্মত জমি কেড়ে নিতে না পারে।” সে বিষয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জেলা প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
প্রতারিত সেনাকর্মী বলেন, “আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে ২০২০ সালে এই জমি কিনেছিলাম। তারপর থেকে জমির মালিকানা আমাদেরই। আমাদের দিল্লি-উত্তরপ্রদেশে পোস্টিং। ওতো খেয়াল রাখতে পারি না। আর্মি বোর্ডও লাগানো ছিল। জমির পরিমাণ ১.২ শতক। এখন সেই জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওই সংস্থার ২৬ শতক জমি রয়েছে। তারা অর্থবলে গোটাটাই নিয়ে নিতে চাইছে।” সংস্থার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।