Sandeshkhali Sheikh Shajahan: ‘আর চিন্তা কী?’ শাহজাহান নামটা বলতেই ‘অভয়বাণী’ বিচারপতির

Sandeshkhali Case: এদিনের শুনানিতে, মৃতদের পরিবারের পক্ষে আইনজীবী মামলার বিষয় উল্লেখ করতেই বিচারপতি জয় সেনগুপ্তর বলেন, "এখন আর চিন্তা কী, সিবিআই হেফাজতেই তো আছেন এই মামলার অভিযুক্ত।"

Sandeshkhali Sheikh Shajahan: আর চিন্তা কী? শাহজাহান নামটা বলতেই অভয়বাণী বিচারপতির
শাহজাহান মামলায় ক্ষুব্ধ বিচারপতিImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Mar 07, 2024 | 4:27 PM

কলকাতা:  সন্দেশখালির তিন খুনের ঘটনায় শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছিল। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের বেঞ্চে পুরনো সেই মামলার শুনানি ছিল। সেই মামলায় হলফনামা দেওয়ার জন্য সময় চাইল রাজ্য। ১৯ মার্চ পরবর্তী শুনানি।  বিচারপতির নির্দেশ, খুনের অভিযোগে মামলায় নিম্ন আদালতের সমস্ত বিচার আপাতত স্থগিত। আগামী শুনানিতে এই সংক্রান্ত সব মামলার কেস ডায়েরি পুলিশকে  হাজির করতে হবে আদালতে, নির্দেশ বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের।

এদিনের শুনানিতে, মৃতদের পরিবারের পক্ষে আইনজীবী মামলার বিষয় উল্লেখ করা হয়। তাতে শেখ শাহজাহানের নাম উঠে আসে। মামলাকারী আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন, তিনটি খুনের অভিযোগে এফআইআর-এ প্রথমে নাম থাকলেও, শাহজাহানের নাম অজানা কারণেই বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। তখন শাহজাহান নামটা শুনতেই  বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত বলেন, “এখন আর চিন্তা কী, সিবিআই হেফাজতেই তো আছেন এই মামলার অভিযুক্ত।” উল্লেখ্য,   এই মামলা ২০১৯ সালের। পদ্মা মণ্ডল নামে সন্দেশখালির এক মহিলা অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামী প্রদীপ মণ্ডলকে খুন করেছিল শেখ শাহজাহানের দল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে হাটগাছি অঞ্চলের ৫৬ নম্বর বুথে বিজেপি জয়ী হয়েছিল। তারপরই ভোটগণনার এক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর বাড়িতে শাহজাহানের লেঠেল বাহিনী হামলা চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে চোখের মণিতে গুলি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রদীপকে তলোয়ার ও ভোজালি দিয়ে কুপিয়ে নৃশংসভাবে খুন করা হয় বলে অভিযোগ করেন স্ত্রী। এরপর থেকে দীর্ঘদিন তিনি তাঁর সন্তানকে নিয়ে ভয়ে বাড়ি ছাড়া ছিলেন।

ওই মামলায় এফআইআর দায়ের করেছিলেন। তাতে প্রথমেই নাম ছিল শেখ শাহজাহানের। অভিযোগ, এফআইআর-এর প্রথমে নাম থাকলেই শাহজাহানের নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। ওই বছরই সন্দেশখালির হাটগাছি অঞ্চলের আরও দুজনকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরে নদীর ধার থেকে এক জনের হাড়গোড় উদ্ধার হয়। ডিএনএ টেস্ট করে দেখা যায় নিখোঁজ ব্যক্তিরই কঙ্গাল সেগুলো। সেক্ষেত্রে শাহজাহান মূল অভিযুক্ত। কিন্তু এফআইআর থেকে নাম বাদ চলে যায়।

এই মামলায় বিচারপতি বলেন, “যার নাম চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ, তিনিই তো এখন সিবিআই গারদে। সব পক্ষের হলফনামা শোনার পর অর্ডার দেব।”

Follow Us