Sheikh Shajahan: প্রথমেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন শেখ শাহজাহান, ১৩৭ কোটির হদিশ পেল ইডি

Sheikh Shajahan: প্রসঙ্গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই শাহজাহানের বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি মামলার তদন্তের সূত্রে সন্দেশখালির একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। ধামাখালির কাছে একটি মাছের পাইকারি বাজারে তল্লাশি চলে।

Sheikh Shajahan: প্রথমেই সেঞ্চুরি হাঁকালেন শেখ শাহজাহান, ১৩৭ কোটির হদিশ পেল ইডি
শেখ শাহজাহান (ফাইল ছবি)Image Credit source: Facebook

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Apr 02, 2024 | 12:12 PM

কলকাতা:   প্রথম দিনেই সন্দেশখালির শেখ শাহাজানের সেঞ্চুরি! ইডি হেফাজতে যাওয়ার প্রথম দিনেই দুর্নীতির সংখ্যা একশোর সীমা ছাড়াল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, চিংড়ি মাছের ব্যবসার আড়ালে ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করেছেন শাহজাহান। মাছের রফতানির কাজ করা দুটি সংস্থার মাধ্যমে শাহজানের সংস্থায় ওই পরিমাণ টাকা ঢুকেছিল। টাকা লেনদেনের নথিও সংগ্রহ করেছে ইডি। প্রসঙ্গত, শাহজাহানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল সম্পূর্ণ অন্য একটি মামলায়। রেশন দুর্নীতির তদন্তে ইডি আধিকারিকরা গিয়েছিলেন তাঁর বাড়িতে। কিন্তু গোটা বিষয়টিই মোড় নেয় অন্য দিকে। শেখ শাহজাহানকে ঘিরেই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয় সন্দেশখালিতে। এরপর পেঁয়াজের খোলার মতো তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসতে থাকে একের পর এক বিস্ফোরক দুর্নীতির তথ্য। জমি দখল, ভেড়ি দখল তো বটেই, মাছের ব্যবসার আড়ালে কীভাবে কালো টাকা সাদা হত, তারও বিস্ফোরক তথ্য উঠে আসে।

তদন্তকারী জানতে পেরেছেন , শাহজাহান পাইকারি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, আর তার  নিয়ন্ত্রিত এসকে সাবিনা ফিশারি সংস্থায় ম্যাগনাম এক্সপোর্টস মাধ্যমে ঢুকেছিল ১০৪ কোটি টাকা। ২০১২ থেকে ২০২২ এবং ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ওই টাকা ঢুকেছিল। আবার অনুপ কুমার সোম নামে এক ব্যবসায়ীর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ঢুকেছিল ৩৩ কোটি টাকা।

চিংড়ি মাছ কেনাবেচার ভুয়ো বিল বানিয়ে এই ১৩৭ কোটি কালো টাকা সাদা করার অভিযোগ। তদন্ত এগোলে এই সংখ্যা আরও অনেক লাফিয়ে বাড়বে, মনে করছেন তদন্তকারীরা।

প্রসঙ্গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই শাহজাহানের বিরুদ্ধে আমদানি-রফতানি মামলার তদন্তের সূত্রে সন্দেশখালির একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছিলেন ইডি আধিকারিকরা। ধামাখালির কাছে একটি মাছের পাইকারি বাজারে তল্লাশি চলে। এই বাজারের অন্যতম অংশীদার নজরুল মোল্লার বাড়িতেও চলে তল্লাশি। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এই মামলার তদন্তে  হাওড়া, কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ মোট ছ’জায়গায় হানা দেন ইডি আধিকারিকেরা। তল্লাশি চলেছিল শাহজাহান ঘনিষ্ঠ কয়েকটি ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধেও। ইডি সূত্রে খবর, শাহজাহান ঘনিষ্ঠ এই ব্যবসায়ীদেরও অনেকে  চিংড়ি মাছের ব্যবসায় যুক্ত ছিলেন। অভিযোগ, মাছের ব্যবসায় দুর্নীতির কালো টাকা সাদা করা হয়েছে।

Follow Us