Soham Chakraborty: ৬৮ লক্ষ টাকার ‘ঋণ খেলাপ’! অভিনেতা-বিধায়ক সোহমের কাছে গেল নোটিস

Soham Chakraborty: নোটিসে উল্লেখ রয়েছে, ২০২১ সালের ২৯ জুলাই শাহিদ ইমামের মধ্যে একটি বাংলা সিনেমা তৈরি নিয়ে লিখিত চুক্তি হয়। সম্ভবত সেই সিনেমার নাম রাখা হত 'মানিকজোড়'। সেই মোতাবেক শাহিদ ইমাম ১ কোটি  বিনিয়োগ করতে রাজি হন। প্রথম ধাপে শাহিদ ৬৮ লক্ষ টাকা সোহম চক্রবর্তীকে দেন তিনি। তার লিখিতও হয়। কিন্তু সেই সিনেমা পরবর্তীতে তৈরি হয়নি।

Soham Chakraborty: ৬৮ লক্ষ টাকার ঋণ খেলাপ! অভিনেতা-বিধায়ক সোহমের কাছে গেল নোটিস
সোহম চক্রবর্তী, অভিনেতা-বিধায়কImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 25, 2026 | 4:18 PM

কলকাতা: সিনেমা তৈরির জন্য টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই টাকা প্রতিশ্রুতি মতো ফেরত দেননি বলে অভিযোগ। এবার বিধায়ক-অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীকে কাছে গেল আইনি নোটিস। অভিযোগ, তিনি শাহিদ ইমাম নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৬৮ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। সেই টাকা তিনি পরিশোধ করেননি। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে শাসকদলের একজন বিধায়ক তথা অভিনেতার বিরুদ্ধে এহেন ঋণখেলাপির নোটিস যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। যদিও সোহমের দাবি, “টাকা ফেরত দেব, এই নিয়ে আগেও কথা হয়েছে।” ভোটের আগে তাঁর চরিত্র কালিমালিপ্ত করার জন্য়ই এই ধরনের নোটিস পাঠানো হয়েছে।

ঘটনাটি ঠিক কী ঘটেছে?

নোটিসে উল্লেখ রয়েছে, ২০২১ সালের ২৯ জুলাই শাহিদ ইমামের মধ্যে একটি বাংলা সিনেমা তৈরি নিয়ে লিখিত চুক্তি হয়। সম্ভবত সেই সিনেমার নাম রাখা হত ‘মানিকজোড়’। সেই মোতাবেক শাহিদ ইমাম ১ কোটি  বিনিয়োগ করতে রাজি হন। প্রথম ধাপে শাহিদ ৬৮ লক্ষ টাকা সোহম চক্রবর্তীকে দেন তিনি। তার লিখিতও হয়। কিন্তু সেই সিনেমা পরবর্তীতে তৈরি হয়নি। সোহম কোনওভাবেই প্রযোজনায় কোনও আগ্রহ দেখাননি, স্ক্রিপ্ট চূড়ান্ত করা, সময় নির্ধারণ করা-কোনও কাজই এগোয়নি।

উল্লেখ্য, এর মাঝে ২০২৩ সালে এসএসসিকাণ্ডে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ২০২৩ সালে মুক্তি পান শাহিদ। শাহিদ এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, সেই সময় দুই দফায় মোট ২৫ লক্ষ টাকা তাঁকে ফেরত দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। তারপর আর কোনও টাকা ফেরত দেননি সোহম। তাই তাঁর বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির নোটিস। যদিও সোহম দাবি, শাহিদের সঙ্গে আগেই তাঁর টাকা মেটানো নিয়ে কথা হয়েছে।