
নয়া দিল্লি: তিনি নিজেই চিঠি দিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়েছিলেন। চিঠি পাঠিয়েছিলেন সাংসদ কীর্তি আজাদ ও সাংসদ সাগরিকা ঘোষের হাত দিয়ে। সেই চিঠির প্রত্যুত্তরে সময়ও দিয়েছিলেন স্পিকার। ১৫ জুন দুপুর দুটোর সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিকেল চারটের মধ্যে দেখা করার সময়সীমা দিয়ে ইমেইল পাঠানো হয়। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সেই সময় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছিলেন। স্বাভাবিকভাবেই তিনি ফোন ব্যবহার করতে পারেননি, যেতেও পারেনি। কীর্তি আজাদ স্পিকার অফিসে দেখা করে জানান, যেহেতু অভিষেক কলকাতায় ইডিতে হাজিরা দিচ্ছে, তার পক্ষে স্পিকার অফিসে এই স্বল্প সময় নোটিসে আসা সম্ভব নয়। পরবর্তী কোনও একটি তারিখে সময় দেওয়া হোক। এবার নতুন সময় দেওয়া অভিষেককে। বুধবারই বিকাল পাঁচটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে মেইল গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। ১৯ জুন, বিকাল পাঁচটায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর বক্তব্য জানানোর জন্য সময় দিয়েছেন স্পিকার।
গত রবিবারই রাজধানীতে টানটান নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হয়। একদিকে যখন কাকলিরা অর্থাৎ তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ শিবির ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে বৈঠক, যখন তাঁদের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল, ঠিক তখনই আকস্মিক ২০ নম্বর আকবর রোডে স্পিকারের বাসভবনে পৌঁছে যান তৃণমূল পন্থী সাংসদ সাগরিকা ঘোষ ও কীর্তি আজাদ। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি পৌঁছে দিয়ে আসেন তাঁরা।
চিঠিতে অভিষেক আবেদন করেছিলেন, কোনও আবেদন অন্য তরফ থেকে এলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ দেওয়া হোক। সেই কারণেই এই স্পিকারের তলব। এদিকে, কাকলিদের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা NCPIতে যোগ দিচ্ছেন। NDAকে সাপোর্ট করবেন তাঁরা।