
কলকাতা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কোনও ধরনের হিংসাত্মক ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করলেন রাজ্য উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। SRFTI ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি জানান, প্রশাসনিক পদে থেকে এই ধরনের বিশৃঙ্খলাকে কোনওভাবেই সাধুবাদ জানানো যায় না। তাঁর কথায়, “কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যে কোনও ধরনের হিংসা নিন্দনীয়। অভিপ্রেত নয়। উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রী হিসাবে সাধুবাদ জানাতে পারি না।”
দুই পক্ষের গোলমাল চলাকালীন স্বামী বিবেকানন্দ এবং ভারতমাতার ছবিতে আঘাত বা অবমাননার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “সংঘাতের মাঝে যদি স্বামীজি ও ভারতমাতার ছবিতে লাথি পড়ে, তবে বুঝতে হবে আমরা এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।” তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনও বাঙালি ছাত্র বা ছাত্রী বিবেকানন্দের মতো ব্যক্তিত্বকে অপমান করতে পারে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বুক থেকে এই ধরনের অপসংস্কৃতি যে কোনও মূল্যে দূর করতে সরকার বদ্ধপরিকর।
সমগ্র ঘটনাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই পুলিশ পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, আইন নিজের পথে চলবে এবং তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং মহাপুরুষদের মর্যাদা বজায় রাখার বিষয়ে সরকার কোনও আপস করবে না।
রবিবার রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল SRFTI! শুরুটা হয় রবিবার সকালে বাইরের কোনও সংস্থাকে ক্যাম্পাসের ভিতরের প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠান করার অনুমতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে। প্রথমে দুপক্ষের বাদানুবাদ, তারপর বিক্ষোভ, তা থেকে হাতাহাতি। শেষ হয় রীতিমতো পাথরবৃষ্টি দিয়ে। আহত হন একাধিক। অনেক রাত পর্যন্ত উত্তপ্ত থাকে পরিস্থিতি। পুলিশকে রীতিমতো গেট টপকে ক্যাম্পাসের ভিতর ঢুকতে হয়।