
কলকাতা: ভুয়ো ভোটারের পর এবার রাজ্যে খোঁজা হবে ভুয়ো ডাক্তার। এবার চিকিৎসকদের জন্য অন্য ‘এসআইআর’-র কথা বললেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর মিলিয়ে দেখা হবে বলেই জানান তিনি। কেন হঠাৎ এই নির্দেশ?
স্বাস্থ্য়মন্ত্রীর দাবি, মৃত চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে ভুয়ো ডাক্তারি করা হচ্ছে। তাদের ধরতেই রেজিস্ট্রেশন মিলিয়ে দেখার কথা বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রচুর ভুয়ো ডাক্তার বেরিয়েছে। সঠিক সময়ে সংখ্যা প্রকাশ করা হবে। পশ্চিমবঙ্গের রেজিস্ট্রেশন রোলে ১ লক্ষ ১০ হাজার ডাক্তার রয়েছেন। তাদের রেজিস্ট্রেশন যাচাই করা হবে। রিভ্যালিডেশন করা হবে।
কেওয়াইসি বা নো ইউর কাস্টমারের মতো এবার চিকিৎসকদের জন্য করা হবে কেওয়াইডি। অর্থাৎ নো ইউর ডক্টর। কী হবে এই পদ্ধতি, সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা করতে গিয়েই স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রচুর ভুয়ো ডাক্তার বেরিয়েছে। সঠিক সময়ে সংখ্যা জানতে পারবেন। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের সঙ্গে রাজ্য স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ দফতরের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ঠিক হয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গে রেজিস্ট্রেশনে ১ লক্ষ ১০ হাজার চিকিৎসক রয়েছেন। সকল ডাক্তারদের রি-ভ্যালিডেশন করা শুরু করছি। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে কেওয়াইসি-র মতো কেওয়াইডি করা হবে। নো ইউর ডক্টর। দুটোভাবে তৈরি হবে। এমকেওয়াইডি (MKYD) অর্থাৎ ম্যানুয়াল কেওয়াইডি এবং ভিকেওয়াইডি অর্থাৎ ভিডিয়ো কেওয়াইডি। সফটওয়্যারও যেহেতু বহু পুরনো, তাই চটজলদি শুরু করতে পারছি না। স্বাস্থ্য ভবন তৎপর হয়েছে এই সফটওয়্যার পরিবর্তন করা যায় কি না ডেটা অপরিবর্তিত রেখে।
তিনি আরও ব্যাখ্যা করে বলেন, “এসআইআর যেমন হয়েছে, ঠিক ওভাবেই কেওয়াইডি করা হবে। দুটোভাবে করা হবে। ম্যানুয়াল অর্থাৎ চিকিৎসকরা এসে রেজিস্ট্রেশন দেখিয়ে যেতে পারেন, যে দূরে থাকেন বা বয়স্ক, আসতে পারবেন না, তাদের জন্য ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এর জন্য প্রাইভেট সংস্থার দ্বারস্থ হতে হবে। বিজ্ঞপ্তি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেওয়া হবে। এই কাজ কিন্তু আমরা ইতিমধ্যে শুরু করে দিয়েছি।”