
কলকাতা: ‘কেশরী হত্যা’ নাটকের মঞ্চায়নে বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বাইরে গিয়ে একেবারেই অন্য ভূমিকায় ধরে দিলেন তিনি। আর মঞ্চে তাঁকে দেখতে উপস্থিত হলেন মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত, হাওড়ার শিবপুরের বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ, জওহর সরকার-সহ বিশিষ্টরা। রবীন্দ্র সদনে মঞ্চে ঢোকার আগেই অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী সুকান্ত। সাংবাদিকদের সামনে রাজনৈতিক কিছু প্রশ্নের উত্তরের পর যখনই নাটকের প্রসঙ্গ উত্থাপন হল, তিনি বলেন, “প্রফেশনাল একটা নাটক যেমন মঞ্চস্থ হয়, তেমনই হচ্ছে। কেশরী হত্যা। তাতে আমি অভিনয়ের একটা ছোট্ট সুযোগ পেয়েছি। অটল বিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে অভিনয় করার ছোট্ট সুযোগ পেয়েছি। আশা করি দর্শকের ভালো লাগবে।”
‘কেশরী হত্যা’ নাটকটি শ্যামাপ্রসাদের জীবন ও কাজের কিছুটা অংশকে নিয়ে লেখা। সে নাটকের মঞ্চায়নে অটলবিহারী বাজপেয়ীর চরিত্রে অভিনয় করলেন সুকান্ত মজুমদার। নাট্যদলটির প্রধান কৌশিক অধিকারী নিজেই শ্যামাপ্রসাদের ভূমিকায় অভিনয় করছেন। সুকান্তকে তাঁরা মাস দুয়েক আগেই অনুরোধ করেছিলেন এই নাটকে অটলের ভূমিকায় অভিনয় করার জন্য।
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং তাঁর রহস্যময় মৃত্যুর প্রেক্ষাপটে রচিত একটি ঐতিহাসিক গবেষণা-ধর্মী নাটক। পশ্চিমবঙ্গের নাট্যদল ‘রঙ্গ অপেরা’র প্রযোজনায় এই নাটকটি মঞ্চস্থ হল।
ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনের সবচেয়ে বিতর্কিত ও রহস্যময় অধ্যায় হলো কাশ্মীরে তাঁর কারাবাস এবং সেখানে ১৯৫৩ সালে তাঁর আকস্মিক মৃত্যু। কাশ্মীরে অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি গ্রেফতার হন। তাঁর এই মৃত্যুকে স্বাভাবিক বলে মানতে নারাজ ছিলেন তাঁর অনুগামীরা, এবং একে একটি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড বা ‘হত্যা’ হিসাবে দেখা হয়।