
কলকাতা: রেজিনগর ও নন্দীগ্রামে উপ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিজেপি। নন্দীগ্রামের একটি ব্লক ও রেজিনগর কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোটারের আধিক্য আর বিজেপির প্রাপ্ত ভোট প্রমাণ করে দিয়েছে যে সংখ্যালঘু ভোটের অনেকটাই এসেছে বিজেপির ঘরে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। এবার তিনি বোঝালেন, ঠিক কী কারণে সংখ্যালঘুরা বিজেপিকে ভোট দিল।
সোমবার উপনির্বাচনের জয় ধর্মতলায় উদযাপনে ধর্মতলায় এক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ব্যাখ্যা করেন, বিভেদ তৈরি করে কীভাবে তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু এবার সবাই রাষ্ট্রবাদের পথকে একমাত্র পথ বলে মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটা সম্প্রদায়কে বলা হয়েছিল যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে, তাঁরা ধর্ম পালনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। তাঁরা দেখেছেন, তাঁরা ভোট না দেওয়া সত্ত্বেও নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপির বিজয়রথ আটকানো যায়নি। তাই আজ মূলস্রোতে এসে পশ্চিমবঙ্গের প্রগতির জন্য সবাই একসঙ্গে এক জায়গায় এসেছি।”
শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেছেন, ২০২১-এ মমতা নেতৃত্বে তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেসও বিভেদ তৈরির চেষ্টা করেছিল। শুভেন্দু বলেন, “বাঙালি আর অবাঙালি বিভেদ করেছিল। ভাষা, জাতের নামে ভাগ করতে চেয়েছিল। মতুয়াবাড়িতে গোলমাল লাগিয়ে দিয়েছিল। এসব করে সাময়িক ফল পেয়েছিল, আর আমরা লড়াই করে রাষ্ট্রবাদীদের জয় দেখেছি। মূলস্রোতের বাইরে যারা থাকবে, তারা হারিয়ে যাবে।”