কলকাতা: ভোটের মুখে ‘আমজনতা উন্নয়ন পার্টি’র নেতা হুমায়ুন কবীরের ভিডিয়ো প্রকাশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের। বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ সামনে আনেন তৃণমূলের তিন নেতা – কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাস। সেইসঙ্গে একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়। ভিডিয়োতে এক ব্যক্তির সঙ্গে হুমায়ুনের কথোপকথন শোনা যাচ্ছে, তবে আর এক ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে না। ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি TV9 বাংলা।
ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, ১০০০ কোটি টাকার কোনও ডিল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ওই ব্যক্তি ও হুমায়ুনের মধ্যে। ‘সংখ্যালঘুদের বোকা বানানো খুব সহজ’, এমন কথাও শোনা যাচ্ছে হুমায়ুনের মুখে। তিনি বলছেন, ‘বাবর কী করেছিল, তা আমার জানার দরকার নেই। গোটে দেশের মুুসলিম আমার পাশে আছে, এটাই আমার উদ্দেশ্য।’ এই ভিডিয়ো নিয়েই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ফিরহাদ হাকিম বলেন, “টাকার বদলে বিজেপির কাছে ধর্মকে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এটা পাপ। এটা অন্যায়।” বলতে গিয়ে কার্যত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।
একইসঙ্গে হুমায়ুনের মুখে বিজেপি নেতাদের নাম শোনা যাচ্ছে ওই ভিডিয়োতে, যা নিয়ে আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন ফিরহাদ, কুণালরা। ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, হুমায়ুন বলছেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমাকে বলেছিল দিল্লি নিয়ে যাবে, বাংলার ইলেকশন হেডের সঙ্গে দেখা করাবে। মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব আমাকে নিয়ে পিএমও-র সঙ্গে কথা বলবেন বলেছিলেন। পিএমও থেকেও বলা হয়েছিল আমার সঙ্গে থাকতে।” অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নাম বলতেও শোনা যাচ্ছে তাঁকে।
কুণাল ঘোষ বলেন, “হুমায়ুন যাদের নাম করেছে, তা নিয়ে আমরা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। পিএমও-র কোন অফিসার এই কোটি টাকার ডিলের পিছনে মদত দিচ্ছেন। হুমায়ুনকে জেরা করতে হবে।” ফিরহাদ হাকিম বলেন, “ধর্ম বিক্রি করে পাপ করেছেন হুমায়ুন। একে কী ভাষায় বলব, বেইমান বললে কম বলা হবে। ষড়যন্ত্র করছে। ওয়েইসি, আপনারাও এই জায়গায় নামলেন।”
বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী আঁতাতের অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, “মন্দির-মসজিদ নিয়ে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। আমরা তো বলেছি শুধু বাবরের নাম লেখা যাবে না।” অন্যদিকে, হুমায়ুন এই অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে কারও কথা হয়নি। ক্ষমতা থাকলে প্রমাণ করুন, বিজেপির সঙ্গে আমার কোনও অর্থনৈতিক চুক্তি হয়েছে। পিএমও-র সঙ্গে, শুভেন্দুর সঙ্গে কোনও আঁতাতের প্রমাণ করুক। না পারলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ২০০০ কোটি টাকার মামলা করব।”
কলকাতা: ভোটের মুখে ‘আমজনতা উন্নয়ন পার্টি’র নেতা হুমায়ুন কবীরের ভিডিয়ো প্রকাশ করে বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের। বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিযোগ সামনে আনেন তৃণমূলের তিন নেতা – কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম ও অরূপ বিশ্বাস। সেইসঙ্গে একটি ভিডিয়োও প্রকাশ করা হয়। ভিডিয়োতে এক ব্যক্তির সঙ্গে হুমায়ুনের কথোপকথন শোনা যাচ্ছে, তবে আর এক ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে না। ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি TV9 বাংলা।
ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, ১০০০ কোটি টাকার কোনও ডিল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে ওই ব্যক্তি ও হুমায়ুনের মধ্যে। ‘সংখ্যালঘুদের বোকা বানানো খুব সহজ’, এমন কথাও শোনা যাচ্ছে হুমায়ুনের মুখে। তিনি বলছেন, ‘বাবর কী করেছিল, তা আমার জানার দরকার নেই। গোটে দেশের মুুসলিম আমার পাশে আছে, এটাই আমার উদ্দেশ্য।’ এই ভিডিয়ো নিয়েই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ফিরহাদ হাকিম বলেন, “টাকার বদলে বিজেপির কাছে ধর্মকে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এটা পাপ। এটা অন্যায়।” বলতে গিয়ে কার্যত আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।
একইসঙ্গে হুমায়ুনের মুখে বিজেপি নেতাদের নাম শোনা যাচ্ছে ওই ভিডিয়োতে, যা নিয়ে আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন ফিরহাদ, কুণালরা। ভিডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, হুমায়ুন বলছেন, “শুভেন্দু অধিকারী আমাকে বলেছিল দিল্লি নিয়ে যাবে, বাংলার ইলেকশন হেডের সঙ্গে দেখা করাবে। মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব আমাকে নিয়ে পিএমও-র সঙ্গে কথা বলবেন বলেছিলেন। পিএমও থেকেও বলা হয়েছিল আমার সঙ্গে থাকতে।” অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার নাম বলতেও শোনা যাচ্ছে তাঁকে।
কুণাল ঘোষ বলেন, “হুমায়ুন যাদের নাম করেছে, তা নিয়ে আমরা তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। পিএমও-র কোন অফিসার এই কোটি টাকার ডিলের পিছনে মদত দিচ্ছেন। হুমায়ুনকে জেরা করতে হবে।” ফিরহাদ হাকিম বলেন, “ধর্ম বিক্রি করে পাপ করেছেন হুমায়ুন। একে কী ভাষায় বলব, বেইমান বললে কম বলা হবে। ষড়যন্ত্র করছে। ওয়েইসি, আপনারাও এই জায়গায় নামলেন।”
বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী আঁতাতের অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, “মন্দির-মসজিদ নিয়ে আমাদের কোনও বিরোধ নেই। আমরা তো বলেছি শুধু বাবরের নাম লেখা যাবে না।” অন্যদিকে, হুমায়ুন এই অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেন, আমার সঙ্গে কারও কথা হয়নি। ক্ষমতা থাকলে প্রমাণ করুন, বিজেপির সঙ্গে আমার কোনও অর্থনৈতিক চুক্তি হয়েছে। পিএমও-র সঙ্গে, শুভেন্দুর সঙ্গে কোনও আঁতাতের প্রমাণ করুক। না পারলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ২০০০ কোটি টাকার মামলা করব।”