কলকাতা: পাশা পাল্টেছে। পাঁচ বছরের জন্য আপাতত গেরুয়া ঝড় বইবে এই বাংলায় (West benal)। বিধানসভায় বিপুল ভোটে পরাজয়ের পর এবার টলোমলো করছে কলকাতার ছোট লাল বাড়িও। অর্থাৎ কথা হচ্ছে পুরসভাকে নিয়ে। বিধানসভা ভোটের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে কলকাতা পুরসভার দুই তৃতীয়াংশের বেশি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শুরু হয়ে গিয়েছে বিশ্লেষণ।
পরিসংখ্যান আগে কত ছিল?
এবারের পরিসংখ্য়ান কত?
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে কলকাতায় বিজেপি ১০২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল ৪২টি আসনে।
যে কারণে এবার ছোট লালবাড়ি নজরে গেরুয়া নেতৃত্বের।
চলতি বছরেই হতে পারে পুরসভা নির্বাচন। তার আগে ওয়ার্ড ভিত্তিক এই ফলাফল গেরুয়া শিবিরের অনেকটা রাস্তা মসৃণ করে দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
কলকাতায় ১৪৪টি ওয়ার্ড ১৭টি বিধানসভা তৈরি করেছে। যার মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৭টি বিধানসভা এবং বিজেপি জিতেছে ১০ টি বিধানসভা কেন্দ্র।
এবারের যে ফলাফল বেরিয়েছে তাতে চারটি ভাগ করা হয়েছে। উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর-টালিগঞ্জ সাংগঠনিক জেলা,বেহালা-ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলা।
কোথায় কত পেয়েছে?
উত্তর কলকাতার সাতটি বিধানসভা অর্থাৎ চৌরঙ্গী, মানিকতলা, বেলেঘাটা, কাশীপুর -বেলগাছিয়া, শ্যামপুকুর, জোড়াসাঁকো, এন্টালি-এই সাতটি বিধানসভায় বিজেপি ৪০টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। মাত্র ২০টি ওয়ার্ড এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল।
দক্ষিণ কলকাতার চারটি আসন অর্থাৎ রাসবিহারী,বালিগঞ্জ,কলকাতা বন্দর এবং ভবানীপুর-এই চারটি আসনে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২০টি ওয়ার্ডে। তৃণমূলে এগিয়ে রয়েছে ১২টি ওয়ার্ডে।
যাদবপুর-টলিগঞ্জ সাংগঠনিক জেলার তিনটি বিধানসভা অর্থাৎ যাদবপুর টালিগঞ্জ,কসবা এই তিন জায়গায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২২টি ওয়ার্ডে। তৃণমূলে গিয়ে রয়েছে ৩টি আসনে।
বেহালা-ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র অর্থাৎ বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম এবং মেটিয়াবুরুজ -এই তিন জায়গায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২০টি ওয়ার্ডে। তৃণমূলে এগিয়ে রয়েছে ৭টি ওয়ার্ডে।
কলকাতার মধ্যে শ্যামপুকুর,বেহালা পশ্চিম, মানিকতলা এবং যাদবপুরের মত বিধানসভা রয়েছে। যার অধীনে কোনও ওয়ার্ডে তৃণমূল এগিয়ে নেই। কলকাতায় এই ফলাফলে যথেষ্ট উজ্জীবিত গেরুয়া শিবির।
কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম অবশ্য তাঁরা পাঁচ বছরের কাজের ভিত্তিতে পুনরায় পুরসভায় আসতে পারবেন কি না, এটা মানুষের উপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। এটা নিয়ে এখনও বিশ্লেষণ করিনি। পরে জানাব।” বিজেপি নেত্রী দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, “আগামী যে সময় আসছে গোটা বাংলা গেরুয়া হবে। ভারত আগেই হয়ে গেছে। বাংলাও হবে।”
এখানেই শেষ নয়, খোদ ভবানীপুর বিধানসভায় শুধুমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড অর্থাৎ সংখ্যালঘু এলাকা। তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২২ হাজার ভোট লিড দিলেও, বাকি ৭টি ওয়ার্ড তৃণমূলকে পিছিয়ে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে-যে এলাকায় আবাসনে গিয়ে জনসংযোগ করেছেন, সেই সবক’টি ওয়ার্ডে ৪-৫ হাজার ভোটে তৃণমূল হেরেছে। মেয়র ফিরহাদ হাকিমও বিপুল সংখ্যক ভোটে ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে পিছিয়ে আছে।
তবে কলকাতার সংখ্যালঘু এলাকাগুলি অর্থাৎ মেটিয়াবুরুজ, গার্ডেনরিচ, রাজাবাজার, বেলগাছিয়ার মতো এলাকার মানুষজন তৃণমূল ছাড়া দ্বিতীয় বিকল্পের কথা ভাবেনি।ফলে সেই ওয়ার্ডগুলোতে তৃণমূল লিড পেয়েছে ব্যাপকভাবে।
জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই গেরুয়া শিবির সরকার গঠনের পরই ওয়ার্ড ভিত্তিক নিজেদের কাজ শুরু করতে চলেছে। সূত্রের খবর, ওয়ার্ডে একাধিক মুখ বাছাই করে পুরসভা ভোটের জন্য প্রস্তুতি শুরু করছে বিজেপি নেতৃত্ব। চলতি বছরের ডিসেম্বরে কলকাতা পুরসভার বর্তমান প্রশাসনের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে আগামী বছরের শুরুতেই কলকাতা কি নতুন মেয়র পাচ্ছে?
কলকাতা: পাশা পাল্টেছে। পাঁচ বছরের জন্য আপাতত গেরুয়া ঝড় বইবে এই বাংলায় (West benal)। বিধানসভায় বিপুল ভোটে পরাজয়ের পর এবার টলোমলো করছে কলকাতার ছোট লাল বাড়িও। অর্থাৎ কথা হচ্ছে পুরসভাকে নিয়ে। বিধানসভা ভোটের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে কলকাতা পুরসভার দুই তৃতীয়াংশের বেশি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শুরু হয়ে গিয়েছে বিশ্লেষণ।
পরিসংখ্যান আগে কত ছিল?
এবারের পরিসংখ্য়ান কত?
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে কলকাতায় বিজেপি ১০২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল ৪২টি আসনে।
যে কারণে এবার ছোট লালবাড়ি নজরে গেরুয়া নেতৃত্বের।
চলতি বছরেই হতে পারে পুরসভা নির্বাচন। তার আগে ওয়ার্ড ভিত্তিক এই ফলাফল গেরুয়া শিবিরের অনেকটা রাস্তা মসৃণ করে দেবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
কলকাতায় ১৪৪টি ওয়ার্ড ১৭টি বিধানসভা তৈরি করেছে। যার মধ্যে তৃণমূল জিতেছে ৭টি বিধানসভা এবং বিজেপি জিতেছে ১০ টি বিধানসভা কেন্দ্র।
এবারের যে ফলাফল বেরিয়েছে তাতে চারটি ভাগ করা হয়েছে। উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর-টালিগঞ্জ সাংগঠনিক জেলা,বেহালা-ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলা।
কোথায় কত পেয়েছে?
উত্তর কলকাতার সাতটি বিধানসভা অর্থাৎ চৌরঙ্গী, মানিকতলা, বেলেঘাটা, কাশীপুর -বেলগাছিয়া, শ্যামপুকুর, জোড়াসাঁকো, এন্টালি-এই সাতটি বিধানসভায় বিজেপি ৪০টি ওয়ার্ডে এগিয়ে রয়েছে। মাত্র ২০টি ওয়ার্ড এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল।
দক্ষিণ কলকাতার চারটি আসন অর্থাৎ রাসবিহারী,বালিগঞ্জ,কলকাতা বন্দর এবং ভবানীপুর-এই চারটি আসনে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২০টি ওয়ার্ডে। তৃণমূলে এগিয়ে রয়েছে ১২টি ওয়ার্ডে।
যাদবপুর-টলিগঞ্জ সাংগঠনিক জেলার তিনটি বিধানসভা অর্থাৎ যাদবপুর টালিগঞ্জ,কসবা এই তিন জায়গায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২২টি ওয়ার্ডে। তৃণমূলে গিয়ে রয়েছে ৩টি আসনে।
বেহালা-ডায়মন্ড হারবার সাংগঠনিক জেলার তিনটি বিধানসভা কেন্দ্র অর্থাৎ বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম এবং মেটিয়াবুরুজ -এই তিন জায়গায় বিজেপি এগিয়ে রয়েছে ২০টি ওয়ার্ডে। তৃণমূলে এগিয়ে রয়েছে ৭টি ওয়ার্ডে।
কলকাতার মধ্যে শ্যামপুকুর,বেহালা পশ্চিম, মানিকতলা এবং যাদবপুরের মত বিধানসভা রয়েছে। যার অধীনে কোনও ওয়ার্ডে তৃণমূল এগিয়ে নেই। কলকাতায় এই ফলাফলে যথেষ্ট উজ্জীবিত গেরুয়া শিবির।
কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম অবশ্য তাঁরা পাঁচ বছরের কাজের ভিত্তিতে পুনরায় পুরসভায় আসতে পারবেন কি না, এটা মানুষের উপর ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “ওয়ার্ডে-ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। এটা নিয়ে এখনও বিশ্লেষণ করিনি। পরে জানাব।” বিজেপি নেত্রী দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, “আগামী যে সময় আসছে গোটা বাংলা গেরুয়া হবে। ভারত আগেই হয়ে গেছে। বাংলাও হবে।”
এখানেই শেষ নয়, খোদ ভবানীপুর বিধানসভায় শুধুমাত্র ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড অর্থাৎ সংখ্যালঘু এলাকা। তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ২২ হাজার ভোট লিড দিলেও, বাকি ৭টি ওয়ার্ড তৃণমূলকে পিছিয়ে দিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে-যে এলাকায় আবাসনে গিয়ে জনসংযোগ করেছেন, সেই সবক’টি ওয়ার্ডে ৪-৫ হাজার ভোটে তৃণমূল হেরেছে। মেয়র ফিরহাদ হাকিমও বিপুল সংখ্যক ভোটে ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে পিছিয়ে আছে।
তবে কলকাতার সংখ্যালঘু এলাকাগুলি অর্থাৎ মেটিয়াবুরুজ, গার্ডেনরিচ, রাজাবাজার, বেলগাছিয়ার মতো এলাকার মানুষজন তৃণমূল ছাড়া দ্বিতীয় বিকল্পের কথা ভাবেনি।ফলে সেই ওয়ার্ডগুলোতে তৃণমূল লিড পেয়েছে ব্যাপকভাবে।
জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই গেরুয়া শিবির সরকার গঠনের পরই ওয়ার্ড ভিত্তিক নিজেদের কাজ শুরু করতে চলেছে। সূত্রের খবর, ওয়ার্ডে একাধিক মুখ বাছাই করে পুরসভা ভোটের জন্য প্রস্তুতি শুরু করছে বিজেপি নেতৃত্ব। চলতি বছরের ডিসেম্বরে কলকাতা পুরসভার বর্তমান প্রশাসনের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। সেক্ষেত্রে আগামী বছরের শুরুতেই কলকাতা কি নতুন মেয়র পাচ্ছে?