
তৃণমূলের দড়ি টানাটানিতে আজ ছন্নছাড়া একুশে জুলাই। সকাল থেকে বাংলা তথা সংবাদমাধ্য়মের নজরে ছিল মূলত দুই শিবিরের ওপরে। গান্ধী মূর্তি পাদদেশ, যেখানে একুশে জুলাই পালন করলেন ঋত-শিবির। আর বিড়লা তারামণ্ডলের সামনের সরু পথ। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের একুশে জুলাই।

সকাল থেকে ক্যামেরা তাক! কোথায় কতটা ভিড় জমে। কর্মীরা কোন দিকে, কারণ তার ওপরেই নির্ভর করছে কর্মীরা কোন শিবিরের দিকে? সকাল থেকেই দেখা গেল, অন্য বারের মতো সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে নয়, স্লোগান তুলেও নয়।

খানিক বিচ্ছিন্ন হয়েই তারামণ্ডলের সামনে মমতার সভায় যাচ্ছেন তৃণমূলকর্মীরা। কেউ ট্রেনে, কেউ বাসে, কেউ আবার মেট্রোয় কালীঘাট তৃণমূলের সভায় যাচ্ছেন।

কোথায় যাচ্ছেন? কর্মীদের উত্তর, "অবশ্যই দিদির সভায় যাব। দিদি ছাড়া অন্য কিছু বুঝি না।"

আর অন্যদিকে গান্ধী মূর্তি পাদদেশে। সকাল ১০.৩৫ মিনিট নাগাদও সেখানে ছিলেন হাতে গোনা কয়েকজন। খালি চেয়ারের সারি, সামনে ৭-১০ বসে। মঞ্চে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, একে একে ঢুকতে থাকেন অরূপ-মদনরা।

কিন্তু গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ভিড় কোথায়? এদিকে ভিড় বাড়তে থাকছে তারামণ্ডলের সামনে। বেলা ১২টা, চেয়ার তখনও ফাঁকা। অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিমকে বারবার প্রশ্ন করা হয়, ক'টা থেকে সভা শুরু? উত্তর এড়িয়ে যেতে থাকেন তাঁরা।

সভায় আসেন ঋতব্রত। মমতা-র একুশের মঞ্চে ভিড় নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তাঁর বক্তব্য, সরু জায়গায় টপ শিট নিলে মনে হবে ভিড় এমনই হয়েছে।

মেয়ো রোডে ঋতব্রত তৃণমূলের সভামঞ্চে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, শিউলি সাহা, অরূপ চক্রবর্তী, অনুব্রত মণ্ডল। ছিলেন ঋতব্রত তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি বিপ্লব মিত্র, জাভেদ খান, দেবাশিস কুমার, মদন মিত্র, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। শহিদ পরিবারগুলির মধ্যে কয়েকটি পরিবারের সদস্যেরা মেয়ো রোডের সভায় গিয়েছেন।

ঋতর-মঞ্চ থেকে শহিদ তর্পণের পর আক্রমণের মূল লক্ষ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।