
কলকাতা: রাজ্য বিজেপিতে ভাঙনের জল্পনা উস্কে দিলেন কুণাল ঘোষ। বিজেপির দুই সাংসদ তৃণমূলে যোগ দিতে চাইছেন। একুশে জুলাইয়ে যোগ দিতে চাইছেন তাঁরা। দাবি কুণালের। এদিন কুণাল বলেন, “বিজেপির থেকে দু’জন নিশ্চিতভাবে যোগ দিতে চাইছেন। তাঁরা সাংসদ।” কবে যোগদান? তাঁদের নিয়ে কী ভাবছে তৃণমূল? হাসিমুখেই একেবারে নিজেদের কৌশল বলে দিলেন কুণাল।
খানিক চতুরতার সঙ্গে পোড় খাওয়া তৃণমূল নেতাকে বলতে শোনা যায়, “যেহেতু ওরা সদ্য জিতে আসা সাংসদ, তাই তাঁদের মেয়াদ এখনও অনেকদিন। বিজেপির হাতে স্পিকার। ফলে তাঁদের সদস্য পদ নিয়ে কী করবে এটা ভেবেই তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে না। ওদের বলা হয়েছে আপাতত বিজেপিতেই থাকো। ভিতরে যা যা হবে, মিটিং, মিছিলে যা যা হবে জানাতে থাকো। তারপর দেখছি।”
যদিও কুণালের মন্তব্যকে পাত্তা দিতে নারাজ বিজেপির রাজ্য সভাপতি। সুকান্ত মজুমদার তো সাফ বলেই দিলেন, “আগে একুশে জুলাই পার হোক তারপর আমরা দেখব।” এদিকে বিগত কয়েকদিন ধরে লাগাতার ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে দিলীপ ঘোষের মতো নেতাকে। দলে তাঁর কী অবস্থান তা তিনি নিজেই বুঝতে পারছেন না! কেউ তাঁর সঙ্গে কথা বলে না বলেও খানিক হতাশাও প্রকাশ করেছেন।
এদিকে আবার বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য নিয়েও জোর চাপানউতোর চলছে রাজনীতির পাড়ায়। লোকসভা ভোট এবং চার বিধানসভার উপনির্বাচনে আশানরূপ ফল না হওয়ায় তা নিয়ে জোর কাটাছেঁড়া চলছে বিজেপির অন্দরে। এর মধ্যে শুভেন্দু বলছেন, “চুলচেরা বিশ্লেষণের দরকার আছে। সে জায়গা আলাদা। আমি বিরোধী দলনেতা। আমি সংগঠনের দায়িত্বে নেই। আমি কখনও সাংবাদমাধ্যমের সামনে এমন কোনও শব্দ-বাক্য প্রয়োগ করি না যাতে ভারতীয় জনতা পার্টির বুথে কর্মীটি, আমাদের ভোটারটি হতাশ হয়।” এদিকে শুভেন্দুর এ মন্তব্য নিয়ে যখন চাপানউতোর চলছে সেই সময় কুণালের এই মন্তব্য রাজনৈতিকভাবে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।