
কলকাতা: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হল। কিন্তু মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশেও রয়ে গেল যোগ্যতা বিতর্ক। ২০১৬ সালের নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকরাই যে জড়িত রয়েছেন এই মূল্যায়নের মূলে। অথচ হাইকোর্টের নির্দেশে গোটা ২০১৬ সালের প্যানেলটাই বাতিল হয়ে গিয়েছে। ওই প্যানেলেরই সাড়ে পাঁচ হাজারের নিয়োগে বেনিয়ম রয়েছে বলে আদালত জানিয়েছে। এখনও এক ধাক্কায় ২৫ হাজারের বেশি শিক্ষকের চাকরি গিয়েছে। তাতে পর্যদ ইতিমধ্যেই মেনে নিয়েছে, শিক্ষকের অপ্রতুলতায় মার্কশিট বিতরণ ও শংসাপত্র বিতরণেও সমস্যা হবে। বৃহস্পতিবার মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর এক কথা স্বীকারই করে নিয়েছেন পর্ষদ সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়।
যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁরাও কি মাধ্যমিকের খাতা দেখেছিলেন? প্রশ্নটা রাখা হয়েছিল রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে। তিনি স্পষ্টতই বলেন, “আমাদের কাছে এরকম কোনও ডেটা থাকে না, যাঁরা মাধ্যমিকের খাতা মূল্যায়ন করছেন, তাঁরা কোন সালে রিক্রুটেড। ” তবে এতজনের চাকরি যাওয়ার পর্যদ সভাপতিও চিন্তিত। তিনি বলেন, “বিষয়টি নিয়ে আমরাও ভাবিত। সব কিছু সুষ্ঠভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে এই গোটা বিষয়টি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কাছে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা নিয়ে আমরা চিন্তিত। তা নিয়ে আমরা উচ্চ আদালতেও গিয়েছি।”