
প্রসেনজিৎ চৌধুরী, নীলেশ্বর স্যান্যাল, রঞ্জিত ধরের রিপোর্ট
কলকাতা ও শিলিগুড়ি: তৃণমূল জমানায় WBCS-এর চাকরিতেও দুর্নীতি? ফলতার এক্স বিডিও শানু বক্সিকে নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই এবার প্রশান্ত বর্মনকে নিয়ে বড় অভিযোগ করছেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। একদিন আগেই বলেছিলেন প্রশান্ত বর্মনকে দ্রুত গ্রেফতার হবে। তাঁর সব ফাইল খোলা হবে। এবার করছেন আরও বড় অভিযোগ। শিখা দেবী বলছেন, প্রশান্ত বর্মনরা বিডিও হয়ে লুঠপাঠ করেছেন পঞ্চায়েতের তিন স্তরেই। ২০১৬ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পরীক্ষায় কিভাবে পাশ করলেন এরা? ১৯ পেয়েও বিডিও হয়েছেন শুনেছি। ওই পরীক্ষায় গলদ ছিল। আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে জানাব তদন্ত করার জন্যে।
বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে ভোট লুটের অভিযোগের পাশাপাশি কীভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হলেন তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিধায়ক। তীব্র ক্ষোভের সুরেই বলেন, “কীভাবে তিনি নীলবাতি নিয়ে ঘোরেন? আমরা মুখ্যমন্ত্রীকে বলব সর্বশক্তি প্রয়োগ করে খুনের আসামি ওই প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতার করা হোক।”
শুরুতে কালচিনির বিডিও হিসাবে দায়িত্ব নেন এই প্রশান্ত বর্মন। তারপর চলে যান রাজগঞ্জে। রাজগঞ্জে বিডিও থাকাকালীন সল্টলেকের দত্তাবাদের স্বপন কামিল্যা নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে নাম জড়ায় প্রশান্ত বর্মণের। পরবর্তীতে কোনও অদৃশ্য শক্তির ক্ষমতা বলেও ওই কেসের চার্জশিট থেকে তারঁ নাম উধাও হয়ে যায়। অথচ পরপর এই কেসে তদন্তকারী অফিসারও বদলে যায়। তা নিয়েও বিস্তর চাপানউতোর হয়।
এখন শিখা চট্টোপাধ্যায় বলছেন, “তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর হাত মাথায় ছিল বলে উনি এত দুর্নীতি করেছেন। ও একজন ক্রিমিনাল, সোনাব্যবসায়ীকে খুন করল। তারপরেও নীল বাতি জ্বালিয়ে ঘুরল। ওর মাইনে কত হতে পারে? কিন্তু এত সম্পত্তি কোথা থেকে এল?”