
কলকাতা : অবশেষে বিজেপির বঙ্গজয়। কার্যত ধুয়ে মুছে সাফ তৃণমূল। উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র একইছবি। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ২০৬টি আসনে জিতেছে বিজেপি। আর তৃণমূলের ঝুলতি মাত্র ৮১টি আসন। গত বিধানসভা নির্বাচনেই তৃণমূলের ঝুলিতে ২১৫টি আসন ছিল। বিজেপিকে ৭৭টি আসন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। কিন্তু এবার যেন উলটপূরাণ। এদিকে, রেজাল্ট আউট হতেই জেলায় জেলায় অশান্তির খূবর ছড়িয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রী বারবার বার্তা দিয়েছে, সাবধান করে দিয়েছেন কোনও বদলা নয়, বদল চাই। কমিশনও জানায়, এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করা যাবে না।
কোথায় কোথায় অশান্তি
টালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এবার পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী অরূপ বিশ্বাস। অভিযোগ, তিনি হারতেই তাঁর পার্টি অফিস দখল করে নিল বিজেপি। পার্টি অফিসের সামনেই ওড়ে গেরুয়া আবির। তৃণমূলের পতাকা খুলে লাগানো হয় বিজেপির পতাকা।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রেও ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। বিধানসভা এলাকার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের নর্দান পার্কে তৃণমূল কাউন্সিলরের অফিসে হামলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ঠ ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম কুমার বোসের অফিসেই হামলা চালায় একদল যুবক হামলা চালায়। তালা ভেঙে অফিসের মধ্যে ঢুকে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এমনকি অফিসের মধ্যে থাকা জিনিসপত্র রাস্তায় বের করে তাতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
অন্যদিকে, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতেও একই ছবি। তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেয় বিজেপি। এমনই অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে।
বহরমপুরেও ভোট পরবর্তী হিংসা। তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপ প্রধানের বাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগ। বহরমপুরে তৃণমূলের একাধিক কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই রাতের অন্ধকারে তাণ্ডব চালায় বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।