
আজ, শুক্রবার বিজেপির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। কর্মসূচির নাম ‘মায়ের নামে একটি গাছ’। রাজ্য জুড়ে চলছে এই কর্মসূচি। ১ কোটি ১০ লক্ষ বৃক্ষরোপণের টার্গেট। প্রথম দিনই ৬ লক্ষ গাছ পোঁতা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তীর্থস্থানগুলির বাইরে গাছ লাগিয়ে সৌন্দর্যায়ন বৃদ্ধির ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এদিকে তৃণমূল অন্দরের চোরাস্রোত এখনও অব্যাহত। বৃহস্পতিবার রাতেই যৌন হেনস্থার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে স্বরূপ বিশ্বাসকে। শওকত মোল্লার খোঁজে বাসন্তী জুড়ে চলছে তল্লাশি।
বিস্তারিত পড়ুন: প্রাক্তন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথের গোডাউন ভরা সরকারি ত্রাণে, গেস্ট হাউসের ড্রয়ার ভর্তি কন্ডোমে
বিস্তারিত পড়ুন: বাংলা-ওড়িশা সীমান্ত দিয়ে পালালেন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ
ইস্তফা দিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ফিরহাদ হাকিম। কী কী বললেন, দেখুন এক নজরে….
২০১৮ সালে হঠাৎ করে যখন তখনকার মেয়র ইস্তফা দিলেন, সে সময়ে সব কাউন্সিলরদের সম্মতি নিয়ে আমাকে এই চেয়ারে বসানো হয়েছিল। আমার মনে হয়েছিল, এই চেয়ারে বসার যোগ্যতা আমার নেই। যাঁদের ছবিতে নমস্কার করে আমরা বড় হয়েছি, দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস, সুভাষচন্দ্র বোস, ড. বিধানচন্দ্র রায়, তাঁদের নখের যোগ্য হতে পারলে জীবন ধন্য হয়ে যাবে। সেখানে দাঁড়িয়ে সে সময়ে এই দায়িত্ব নিলাম, পালন করলাম। ২০২১ সালের নির্বাচনে মানুষ সমর্থন করলেন, তখন থেকে আজ পর্যন্ত আছি।
আমার সময়কালে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ এসেছিল কোভিড। কর্পোরেশনের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা, সে সময়ে মানুষ যখন বেরোতে চাইছিলেন না, সে সময়ে দাঁড়িয়ে আমাদের কর্মীরা জজ্ঞাল পরিষ্কার করা, অনেক অনেক দায়িত্ব।
কলকাতায় ভ্যাকসিন এল, কিন্তু ট্রায়াল হচ্ছিল না। আমাকে অ্যাপ্রোচ করা হল, আমি বললাম মহানাগরিক হিসাবে আমি দায়বন্ধ। মানুষকে যদি বাঁচানো যায়, তার জন্য আমার জীবন গেলে যাক!
দু’দিন ধরে চর্চা হচ্ছে। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, উত্তর অধরা। কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদে কি আদৌ ইস্তফা দিচ্ছেন ফিরহাদ হাকিম। কুণাল ঘোষ কালীঘাটের বৈঠকের পর যে দাবি করেছিলেন, সেই দাবির সঙ্গে মিলছে না ঘটনাপ্রবাহ। কুণাল দাবি করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। দলীয় সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে মান্যতা দিয়েছেন।
বিস্তারিত পড়ুন: কুণাল ঘোষের দাবির সঙ্গে মিলছে না ঘটনাপ্রবাহ, নবান্নে শুভেন্দু-ফিরহাদের বৈঠকের পর থেকেই চরম জল্পনা
গ্রেফতারের পর কোমরে দড়ি নিয়ে রাস্তায় ঘোরানোর আপত্তি জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। অমর ফারুক গাজি নামে এক মামলাকারী বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত ও বিচারপতি স্মীতা দাস দে-র বেঞ্চে জনস্বার্থ দায়ের করেন। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের পর্যবেক্ষণ, অনেক রাগ থাকতে পারে, বিক্ষোভ থাকতে পারে। কিন্তু আসামীকে অপমান করা উচিৎ নয়। ইচ্ছা করে এটা যেন না করা হয়। কী ঘটনার প্রেক্ষাপট যাবতীয় জানিয়ে রাজ্য রিপোর্ট দেবে। ৪ সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ।
বিস্তারিত পড়ুন: ‘ইচ্ছা করে যেন না করা হয়’
‘মায়ের নামে একটি গাছ’। রাজ্য জুড়ে চলছে এই কর্মসূচি। ১ কোটি ১০ লক্ষ বৃক্ষরোপণের টার্গেট। প্রথম দিনই ৬ লক্ষ গাছ পোঁতা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তীর্থস্থানগুলির বাইরে গাছ লাগিয়ে সৌন্দর্যায়ন বৃদ্ধির ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে।