Kolkata Councillor Sushanta Ghosh: বাংলা-ওড়িশা সীমান্ত দিয়ে পালালেন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ
Kolkata Councillor Sushanta Ghosh Absconding: সুশান্ত ঘোষের ফেরার হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, "পালিয়ে যাচ্ছেন কেন? আপনারা তো সততার প্রতীক। সুশান্ত ঘোষিত বাহুবলী। গুলি খেয়েছেন। গুলি করেছেন। পালাতে গেলে তো আরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। না পালালে দু-একটা পচা ডিম খেতে পারেন।"

কলকাতা: তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে একের পর এক কাউন্সিলর গ্রেফতার হয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধেও তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আর অভিযোগ দায়ের হতেই পগারপার কলকাতা পৌরনিগমের ১০৮ নম্বরের কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। তিন কোটি টাকা তোলা চাওয়ার অভিযোগ দায়ের হতেই পরিবার নিয়ে পালালেন তৃণমূল এই কাউন্সিলর। বাংলা-ওড়িশা সীমান্ত দিয়ে পালিয়েছেন তিনি। তবে যে গাড়িতে তিনি পালান, তা উদ্ধার হয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে চালককে।
কলকাতা পৌরনিগমের এখনও পর্যন্ত চারজন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে সুদীপ পোল্লে। তারপর সচিন সিং, অরিজিৎ দাস ঠাকুর এবং বিশ্বজিৎ মণ্ডল। ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধেও দায়ের হয় এফআইআর। আনন্দপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকা তোলা চাওয়ার অভিযোগ দায়ের করেন ব্যবসায়ীরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ২০২২-২৩ সালে এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের থেকে জোর করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয় সুশান্ত ঘোষ এবং তাঁর বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে। অভিযোগে জানানো হয়, এলকার বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের থেকে প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকা নেওয়া হয়। ব্যবসায়ীদের তরফে করা অভিযোগের ভিত্তিতে FIR দায়ের করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সূত্রের খবর, কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ ছাড়াও সুজিত কুমার ওরফে বচ্চন, গোপাল মল্লিক , পিন্টু সুর, বিকাশ পাসোয়ান-সহ কয়েকজনের নাম রয়েছে এফআইআর-এ।
পুলিশ তদন্তে নামার পরই গা ঢাকা দিলেন সুশান্ত ঘোষ। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের নভেম্বরে কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের উপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল। কসবায় নিজের বাড়ির সামনে বসে থাকার সময় সুশান্ত ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল দুষ্কৃতী। ভাগ্য জোরে রক্ষা পান তৃণমূল এই কাউন্সিলর। কিন্তু, কেন তাঁর উপর হামলা চালানো হল, তা নিয়ে শোরগোল পড়েছিল।
সুশান্ত ঘোষের ফেরার হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করে বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, “পালিয়ে যাচ্ছেন কেন? আপনারা তো সততার প্রতীক। সুশান্ত ঘোষিত বাহুবলী। গুলি খেয়েছেন। গুলি করেছেন। পালাতে গেলে তো আরও বেশি দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। না পালালে দু-একটা পচা ডিম খেতে পারেন।” সুশান্ত ঘোষের মতো প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লারও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এই নিয়েও কটাক্ষ করেন দেবজিৎ সরকার।
