Shankar Ghosh: ‘বাংলায় তৈরি হবে দু’টি গ্লোবাল ডেস্টিনেশন’, দার্জিলিং-দিঘা নিয়ে বড় পরিকল্পনা? কী জানালেন শঙ্কর ঘোষ?
Shankar Ghosh at TV9 Conclave: পর্যটনে পাঁচ নীতির কথা বলেছেন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। তাঁর কথায়, "বাংলার পর্যটন শিল্পের প্রসারই প্রধান লক্ষ্য। মন্ত্রী বলেন, "পর্যটন দফতর আসলে ধুলো পড়া একটি দফতরে, মাকড়সার জালে আবদ্ধ একটি দফতরে পরিণত হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে আমরা আমাদের কাজ শুরু করেছি।"

কলকাতা: “পর্যটন দফতরে ধুলো পড়া দফতরে পরিণত হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে কাজ শুরু করেছে আমাদের সরকার।” টিভি৯ বাংলার কলক্লেভে উপস্থিত হয়ে এমনটাই জানালেন পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। সেই ধুলো সরিয়ে পর্যটন শিল্পে কী কী পরিবর্তন আনতে চলেছে রাজ্য সরকার, গত ১০০ দিনে কী কী কাজ করেছে তাঁর দফতর, ভবিষ্যতে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানালেন শঙ্কর ঘোষ।
পর্যটনে পাঁচ নীতি
পর্যটনে পাঁচ নীতির কথা বলেছেন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। তাঁর কথায়, বাংলার পর্যটন শিল্পের প্রসারই প্রধান লক্ষ্য। মন্ত্রী বলেন, “পর্যটন দফতর আসলে ধুলো পড়া একটি দফতরে, মাকড়সার জালে আবদ্ধ একটি দফতরে পরিণত হয়েছিল। সেই জায়গা থেকে দাঁড়িয়ে আমরা আমাদের কাজ শুরু করেছি। প্রথমে পর্যটনের বিভিন্ন স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলেছি। সরাসরি সংযোগস্থাপনের মধ্যে দিয়ে আমরা আমাদের নীতি তৈরি করেছি। ফাইভ পয়েন্ট পলিসি তৈরি করেছি।”
কী কী করেছে পর্যটন দফতর?
শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, পাঁচ নীতিকে সামনে রেখে কাজ শুরু করেছে পর্যটন দফতর। বলেন, “আমাদের পাঁচটি স্ট্র্যাটেজিক পলিসিকে ধরে ধরে আমরা যে কাজ ১০০ দিনে করে ফেলেছি, তার মধ্যে হোম স্টে পলিসি জমা করতে পেরেছি। ইনভেস্টেমেন্ট পলিসি সরকার তৈরি করেছে। এই পলিসিতে পর্যটনকে একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিয়ে যেতে পেরেছি। আমরা ৩৬৫ দিনের ট্যুরিজম ম্যাপ তৈরি করেছি।”
দু’টি গ্লোবাল ডেস্টিনেশন
বাংলায় দু’টি গ্লোবাল ডেস্টিনেশন হবে বলে জানিয়েছেন শঙ্কর ঘোষ। এই বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রের এই মুহূর্তের নীতি ওয়ান স্টেট ওয়ান গ্লোবাল ডেস্টিনেশন। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলে দু’টো গ্লোবাল ডেস্টিনেশন হবে আমাদের রাজ্যে। একটা অবশ্যই দার্জিলিং, আরেকটা সুন্দরবন ও দিঘার মধ্যে একটি গ্লোবাল ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তুলব। মিরিককে অল্টারনেটিভ ডেস্টিনেশন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করছি।”
শঙ্কর ঘোষ আরও বলেন, “পর্যটন দফতরে এক হাজার কোটি টাকার কাজ হাতে নিয়েছি। এইটুকু বলতে পারি রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছে, মানসিকতার পরিবর্তন হবে। শুধু পর্যটকদের গন্তব্যস্থল হিসেবে নয়। ভবিষ্যতে এই রাজ্য সরকারের কর্মসংস্থান ও রাজস্ব সংগ্রহের দিক থেকে অন্যতম সেরা দফতর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করব। আমরা দায়বদ্ধ।”
