
কলকাতা: ট্রেড ইউনিয়ন শব্দটার সঙ্গে বাংলার মানুষ বরাবরই পরিচিত। বাম আমল থেকে শুরু করে তৃণমূল জমানা- সবসময় শ্রমিক সংগঠনে রাজনৈতিক প্রভাব দেখা গিয়েছে। প্রথমবার রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দফায় দফায় বিভিন্ন দফতরের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এবার কি বাংলায় মাথাচাড়া দেবে নতুন শ্রমিক সংগঠন? বিজেপির বিভিন্ন নেতাদের মুখে শোনা যাচ্ছে সে কথা। তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলছেন, এমন কোনও ইউনিয়ন নেই।
বিজেপি জয়ের পর শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “আমাদের কোনও ট্রেড ইউনিয়ন নেই। বিজেপিতে এটা করা যায় না। বিজেপির কোনও ট্রেড ইউনিয়ন হবে না। কোনও টাকা উঠবে না।” ইউনিয়নগুলির উদ্দেশে শমীক বলেন, ‘আপনারা সভাপতি তৈরি করুন। কম টাকা দিয়ে ফান্ড তৈরি করুন।’
বিজেপির জয়ের পরই দক্ষিণ মালদহের জেলা সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় মজদুর সঙ্ঘের কথা বলেন। রাজ্যের সব সরকারি কর্মীরা ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘের অধীনে কাজ করবে। এটাই আরএসএসের সঙ্ঘঠন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সঙ্ঘ ঘনিষ্ঠ শ্রমিক সংগঠন বলে পরিচিত ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ বা বিএমএস। বিভিন্ন ইস্যুতে পথে প্রতিবাদে দেখা গিয়েছে এই সংগঠনকে। তবে এ রাজ্যে এখনও পর্যন্ত এই সংগঠনের কোনও সদস্যের অস্তিত্ব দেখা যায়নি। সমাজসেবী দত্তোপন্ত ঠেঙ্গাদি এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। ২৩ জুলাই ১৯৫৫ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।