
কলকাতা: ধর্মীয় ভাতা মিলবে না। তার বদলে মেধাবী পড়ুয়াদের জন্য ফের চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের মেধা ও আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে এই সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ কী?
বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথমেই একটি কথা স্পষ্ট ভাবে বলেছিল, জনসেবামূলক কোনও ভাতাই তারা বন্ধ করবে না। তারই উদাহরণ মিলল আজ। বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ চালু হয়েছিল তৃণমূল আমলে। মূলত, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তর থেকে গবেষণা স্তরে পড়াশুনো চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যই চালু করা হয়েছিল।
কোন পড়ুয়ারা এই স্কিমের অন্তর্ভূক্ত হতে পারবেন?
উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও গবেষণারত শিক্ষার্থীরা এই বৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারেন।
যোগ্যতা কী?
উচ্চ মাধ্যমিক স্তর, কলা, বাণিজ্য, বিজ্ঞান শাখার স্নাতক স্তর, ইউজিসি অনুমোদিত অন্যান্য পেশাদারি কোর্সে স্নাতক স্তরের আবেদনকারীদের শেষ পরীক্ষায় ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।
বিজ্ঞান শাখার স্নাতক স্তর, ইউজিসি অনুমোদিত অন্যান্য পেশাদারি কোর্সে স্নাতক স্তরে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ বৃত্তির পরিমাণ হবে মাসিক ১৫০০ টাকা এবং উপরোক্ত বাকি কোর্সের শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ বৃত্তির পরিমাণ হবে মাসিক ১০০০ টাকা।
পারিবারিক আয় আড়াই লক্ষের কম হতে হবে।
টাকা পাবেন আইআইটির ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যালের স্নাতক ও ডিপ্লোমা এবং নার্সিং কোর্সের পড়ুয়ারা। এছাড়াও, টাকা পাবেন ফার্মেসি,প্যারামেডিক্য়াল,কলা ও বিজ্ঞানের স্নাতকোত্তর, বিএড এবং পিএইচডি পড়ুয়ারাও।
কত টাকা পাওয়া যায়?
কলা ও বাণিজ্য় বিভাগের পড়ুয়ারা হাতে পান ১২ হাজার টাকা।
বিজ্ঞান ও স্নাতক স্তরের অন্যান্য় কোর্সের পড়ুয়ারা পান ১৮ হাজার টাকা।
কী কী নথি জমা করতে হয়?
আবেদনকারীর পরিবারের আয়ের শংসাপত্র
অ্যাকাডেমিক পেমেন্টের রশিদ।
আধার কার্ড
আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি, সই, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নম্বর, মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি
পরীক্ষার মার্কশিট