
কলকাতা: ঘর বাছাই করতে নবান্নে এসেছিলেন বিশাল লামা। স্বরাষ্ট্র এবং পার্বত্য বিষয়ক দফতর ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কালচিনির বিধায়ক। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তাঁর বসার জায়গা ঠিক হয়েছে নবান্নের দোতলায়। কিন্তু কোন ঘরে বসবেন, সেটাই এদিন দেখছিলেন তিনি। আর তখনই নামটা শুনে চমকে যান।
নবান্নের দোতলায় দুটি ঘর ফাঁকা আছে। একটিতে বসতেন প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং অপরটি ছিল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) ঘর। দুটির মধ্যে কালচিনির বিধায়কের পছন্দ হল পার্থ চট্টোপাধ্যায় যে ঘরে বসতেন সেই ঘরটি। কী করে ঘরটি সাজানো হবে, সেই বিষয়ে পূর্ত দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন বিশাল লামা। আর তাঁর মাঝেই বিশাল লামার কানে গেল, এই ঘরটিতে এক সময়ে বসতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
সঙ্গে সঙ্গে কালচিনির বিধায়ক নিজের আপ্ত সহায়ককে বলেন, “আগামিকাল, আগে ঘরে পুজো করে তারপর বসব।” এরপর উপস্থিত সরকারি আধিকারিকদের জিজ্ঞেস করে জেনে নেন, নিজের মতো পুজো করে, গঙ্গাজল ছিটিয়ে নিতে অসুবিধা নেই তো!
অসুবিধা নেই শুনে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে বিশাল লামা জানালেন, আগামিকাল ঘর সাজানো হয়ে গেলে পুজো করে বসবেন এবং সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন। প্রসঙ্গত, পার্থ চট্টোপাধ্যায় গ্রেফতার হওয়ার পরে ঘরটির নেমপ্লেট সরিয়ে ফেলা হয়। তারপর থেকে ঘরটি বন্ধ করেই রাখা ছিল। কিন্তু বিশাল লামার ওই ঘরটিই পছন্দ হওয়ায় এখন তাঁর বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।