AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Calcutta High Court: বেআইনি নির্মাণ দেখে চুপ করে বসেছিলেন… তাঁদের কি পুরস্কার দিলেন? পুরনিগমকে কড়া ভর্ৎসনা বিচারপতি বাগচীর

Calcutta High Court: রাজ্য দাবি করে, ২০২২ থেকে এই ধরনের বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ করে আসছেন মামলাকারী, কিন্তু এতদিন পর আদালতে এলেন কেন? এই ধরনের ঘটনাকেন্দ্রিক জনস্বার্থ মামলা বন্ধ হওয়া উচিত বলে দাবি করে রাজ্য। এ কথা শুনে কার্যত বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বুঝিয়ে দেন, মামলাকারীর থেকে অনেক বেশি দায়িত্ব আধিকারিকদের।

Calcutta High Court: বেআইনি নির্মাণ দেখে চুপ করে বসেছিলেন... তাঁদের কি পুরস্কার দিলেন? পুরনিগমকে কড়া ভর্ৎসনা বিচারপতি বাগচীর
হাইকোর্টImage Credit: TV9 Bangla
| Updated on: Apr 08, 2024 | 10:48 PM
Share

কলকাতা: তদন্ত তো হচ্ছে, কিন্তু বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কী ব্যবস্থা নিল পুরসভা? অফিসারদের বিরুদ্ধেই বা কী ব্যবস্থা নেওয়া হল? সোমবার বিচারপতির কড়া প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা পুরনিগমকে। সম্প্রতি গার্ডেনরিচে বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। এরপরই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে জনস্বার্থ মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে।

গার্ডেনরিচের ঘটনায় সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ করল রাজ্য সরকার এবং কলকাতা পুরসভা। রাজ্য জানিয়েছে, ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একজন এখনও পলাতক। এ কথা শুনে বিচারপতি জানতে চান, পুরসভার যে আধিকারিকরা এই বেআইনি নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হল। সোমবারের শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, “এই ধরনের গ্রেফতারি দেখতে ভাল লাগে, কিন্তু পুরসভার যে আধিকারিকদের সাহায্য পেয়ে এই ধরনের বেআইনি নির্মাণ হল, তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে?” আরও কড়া ভাষায় বিচারপতি বলেন, “পুরসভার যে আধিকারিকরা চুপ করে বসে ছিলেন, চক্রান্তে যুক্ত ছিলেন, তাঁরাই আসল দোষী। এটাই তদন্ত করে দেখতে হবে।”

পুরসভার উদ্দেশে বিচারপতি বাগচী প্রশ্ন করেন, “আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে কি তদন্ত শুরু হয়েছে? বেআইনি নির্মাণ দেখেও যাঁরা চুপ করে বসে ছিলেন, পুরসভার সেই অফিসারদের কি আপনারা পুরস্কৃত করেছেন? পুরসভার যে আধিকারিকরা চোখ বন্ধ করে বসে ছিল তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে?” তাঁর মন্তব্য, “আদালত চায় এই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং সাসপেন্ড করা হোক।”

উত্তরে পুরসভা জানায়, বেশ কয়েকজন আধিকারিককে শোকজ করা হয়েছে ইতিমধ্য়ে। বিচারপতি নির্দেশ দেন, প্রয়োজন হলে সাসপেন্ড করতে হবে আধিকারিকদের।

রাজ্য দাবি করে, ২০২২ থেকে এই ধরনের বেআইনি নির্মাণের প্রতিবাদ করে আসছেন মামলাকারী, কিন্তু এতদিন পর আদালতে এলেন কেন? এই ধরনের ঘটনাকেন্দ্রিক জনস্বার্থ মামলা বন্ধ হওয়া উচিত বলে দাবি করে রাজ্য। এ কথা শুনে কার্যত বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী। তিনি বুঝিয়ে দেন, মামলাকারীর থেকে অনেক বেশি দায়িত্ব আধিকারিকদের। বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, “আপনার আধিকারিকরা কী করছিলেন? বেআইনি নির্মাণের ওপর নজরদারি চালানো এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ করার আইন তো আছে। মানুষের প্রাণ এবং সম্পত্তি রক্ষা করার বৈধ উপায় তো আছে।” তিনি আরও বলেন, যাঁরা এই মামলা করেন, তাঁদের থেকে অনেক বেশি দায়িত্ব এই সমস্ত বিধিবদ্ধ সংস্থার আধিকারিকদের।

Follow Us