
ক্যালেন্ডার বলছে এখন আশ্বিন মাস চলছে বঙ্গজুড়ে তবে প্রকৃতির এই রূপ দেখলে বর্ষাকাল ছাড়া অন্য কিছুই আর মনে হচ্ছে না। খেতে পচছে সবজি, জমিতে ধান নষ্ট হচ্ছে, ফুল নষ্ট হয়েছে, সেই সঙ্গে অতিবৃষ্টিতে তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। ফুঁসছে তিস্তা, লেক ভেঙে প্রায় ধুয়ে যেতে বসেছে সিকিম-উত্তরবঙ্গের একাংশ। এই পুজোকে ঘিরে থাকে কত মানুষের স্বপ্ন। প্রচুর মানুষ আছেন যাঁদের বছরে আয় এই পুজোর সময়। এখান থেকে অর্জিত অর্থেই সারা বছর সংসার চলে। এছাড়াও পোশাক, পার্লার, রেস্তোরাঁ এসব পুজোর সময় যতটা লাভবান হয় তা আর অন্য সময় হয় না। পুজোর কটা দিন কাজ থাকে না, সকলেই চান পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ করতে। সারা বছর কাজের জন্য সকলকেই পরিশ্রম করতে হয়। বাড়ির বাইরে বেরোতে হয় যাবতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ উপেক্ষা করে
মুখে যতই ক্রিম, লোশন এসব লাগানো হোক না কেন মুখে ট্যান পড়েই। সেই সঙ্গে কালো দাগ ছোপ, ত্বক বুড়িয়ে যাওয়া, ক্লান্ত হয়ে যাওয়া এই সব সমস্যাও থাকে। যে সারাবছর ফেসিয়াল করে না সেও পুজোর সময়ে একবার ফেসিয়াল করাতে চায়। হঠাৎ করে এই একবার মাত্র ফেসিয়াল করলেই যে মুখের গ্লো বেড়ে যাবে এমনটা একেবারেই নয়। নিয়মিত ভাবে মুখের যত্ন নিতে হবে। আর তাই বাড়িতেই আজ থেকে শুরু করুন এই ডি ট্যান ফেশিয়াল। হাতে এখনও ১৫ দিন সময় আছে। এই কয়েকদিন যদি মুখের যত্ন নিতে পারেন তাহলে মুখ যেমন চকচক করবে তেমনই ফিরবে মুখের গ্লো।
হাতের সামনে চালের গুঁড়ো, মধু, কফি আর হলুদ থাকলেই হবে। চালগুঁড়ো, কফি, হলুদ প্রথমে শুকনো মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এর মধ্যে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এবার এই প্যাক ভাল করে গুলতে মিশিয়ে নিন কাঁচাদুধ। খুব ভাল করে এই প্যাক ঘষে ঘষে লাগান মুখে। ১৫ মিনিট রেখে জল দিয়ে তুলে নিন। স্নানের আগে সপ্তাহে তিনদিন করতে পারলেই ফিরবে মুখের জেল্লা। পকেট বাঁচিয়ে এমন ঘরোয়া রূপটানের কোনও বিকল্প হয় না। তাই আজ থেকেই শুরু করুন, ফল পাবেন ১৫ দিনেই