
‘কেউ বলে ফাল্গুন, কেউ বলে পলাশের মাস, আমি বলি আমার সর্বনাশ’- প্রখ্যাত গায়ক জটিলেশ্বর মুখোপাধ্যায় তাঁর গানে এভাবেই বসন্তকে এঁকেছেন। পঞ্জিকা মতে বছরের শেষ মাস এই বসন্ত। রূপে, রঙে, গন্ধে এই সময় প্রকৃতি খুব সুন্দর সাজে সেজে ওঠে। মাঠের পর মাঠ জুড়ে থাকে লাল পলাশের দল। অশোক, শিমূল এই সব ফুলও ফোটে বসন্তের দিনে। ফাল্গুন যেমন প্রেমের মাস তেমনই বিরেরও মাস। দুপুরে একনাগাড়ে ডেকে যাওয়া কোকিলের কুহু ডাকে মিশে থাকে অদ্ভুত একটা বিষন্নতা। দুপুরে রোদ, বিকেলে বৃষ্টি আবার সকালের দিকে ঠান্ডা- এখন এক অদ্ভুত আবহাওয়া থাকে বসন্ত জুড়ে। তবুও বসন্ত আমাদের অনেক কিছু মনে করিয়ে দেয়। শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচুড়া, মাধুরীলতা, স্বর্ণচম্পার এমন মন ভাল করা দিনে সুন্দর করে সাজগোজ তো করতেই হবে।
বসন্তের দিনে উজ্জ্বল রঙে সাজলে সবচাইতে বেশি ভাললাগে দেখতে। এখন ৩৬৫ দিনই উৎসব লেগে থাকে। বসন্তের দিনে বসন্ত উৎসব, পার্টি, বিয়েবাড়ি এসব তো থাকবেই। দোলের কথাই বা ভোলা যায় কী করে! হলুদ, গোলাপি, সবুজ, নীল, কমলা, আকাশি এই সব রং বরাবরই উজ্জ্বল। এমন রঙে সাজলে দেখতেও লাগে খুব সুন্দর। বসন্তের অনুষ্ঠানে শাড়ি পরলে দেখতে লাগে সবচাইতে বেশি সুন্দর। যতই পৃথিবীর বয়স বাড়ুক না কেন অভিনেত্রী মনামী ঘোষের বয়স যেন সেই পঁচিশেই থমকে রয়েছে। শরীরের কোথাও অতিরিক্ত মেদ নেই। অভিনয়ের পাশাপাশি মনামী একজন দক্ষ নৃত্যশিল্পী। সেই সঙ্গে ফ্যাশন নিয়েও প্রচুর রকম এক্সপেরিমেন্ট করেন তিনি। সেই তালিকায় শাড়ি থেকে ওয়েস্টার্ন পোশাক দুটোই থাকে। তবে শাড়ি পরতে বেশি ভালবাসেন তিনি।
হলুদ ব্লাউজ দিয়ে খুব সুন্দর করে একটি হ্যান্ডলুমের শাড়ি পরেছেন মনামী। সঙ্গে খোঁপায় জুঁই এর মালা। কানে ঝুমকো, কপালে টিিপ। সব মিলিয়ে বসন্তের পারফেক্ট সাজে তৈরি মনামী। প্রেমের রঙে গোলাপি হলেও মন্দ লাগে না এই সময়ে। আর তাই গোলাপি শেডের যে কোনও হ্যান্ডলুমের শাড়িও বেছে নিতে পারেন। হালকা কাজল, ঝুমকাতেই হয়ে উঠুন অনন্যা।