
কালীপুজো একেবারে দোরগোড়ায়। বসার ঘর বা রান্নাঘর তো ঝকঝকে হচ্ছে, কিন্তু বেডরুমের কী খবর? রোজকার ব্যবহারে গদি আর বালিশে ঘাম, ধুলো জমে একেবারে একশা অবস্থা হয়। স্বাস্থ্যের দিক থেকে দেখলে এটা কিন্তু মোটেও ভালো কথা নয়। সুস্থ থাকতে এই জিনিসগুলোর ডিপ ক্লিনিং সত্যিই খুব দরকার। Picture Courtesy- AI tool
গদি পরিষ্কারের কাজটা শুরু করুন বিছানার চাদর সরিয়ে। এবার ভ্যাকুয়াম ক্লিনার নিয়ে কাজে লেগে পড়ুন। গদির কোণে বা সেলাইয়ের ভাঁজে প্রচুর ধুলো আর চুল লুকিয়ে থাকে। ভ্যাকুয়ামের সঠিক অ্যাটাচমেন্ট দিয়ে সেগুলো টেনে বের করা ভীষণ সহজ। খালি চোখে দেখা যায় না এমন জীবাণুও নিমেষে গায়েব হয়ে যাবে। Picture Courtesy- AI tool
গদিতে জেদি দাগ লেগেছে? তাই বলে দাগ তুলতে কখনও সরাসরি জল ঢেলে ঘষতে যাবেন না! বরং একটা পরিষ্কার ভিজে কাপড় দিয়ে দাগের ওপর হালকা করে চাপ দিন। বেশি জোরে ঘষলে জল গদির অনেকটা ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। আর তা থেকে পরে ফাঙ্গাস হওয়ার ভয় থাকে। তাই একটু সাবধানেই কাজটা করুন। Picture Courtesy- AI tool
গদির গুমোট গন্ধ আর স্যাঁতসেঁতে ভাব কাটাতে রোদের বিকল্প নেই। খোলা হাওয়ায় কড়া রোদে গদিটিকে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন। চাইলে গদি উল্টে দিতে পারেন, এতে দু’দিকই সমানভাবে হাওয়া পাবে। তবে নতুন চাদর পাতার আগে দেখে নেবেন গদি যেন সম্পূর্ণভাবে শুকিয়ে গিয়েছে। Picture Courtesy- AI tool
রাতে নিশ্চিন্ত ঘুমের সময় ত্বকের তেল আর ঘাম শুষে নেয় রোজকার ব্যবহারের বালিশ। তাই এগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করলেই নয়। সুতি বা পলিয়েস্টারের বালিশ অনায়াসে মেশিনে কাচা যায়। তবে তার আগে লেবেলটা পড়ে নেওয়া ভালো। আর মেমরি ফোমের বালিশ হলে মেশিনে না দিয়ে হাতেই পরিষ্কার করুন, নাহলে ফোম নষ্ট হয়ে যেতে পারে। Picture Courtesy- AI tool
উৎসবের দিনে বসার ঘরের সোফাতেই অতিথিদের ভিড় জমানোর কথা। তাই সোফার কুশন কভারগুলো খুলে লেবেলের নির্দেশ মেনে ধুয়ে ফেলুন। কুশনের ভেতরের প্যাডেও প্রচুর ধুলো জমে, সেটাও ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে সাফ করে নিন। আর ভুল করে চা-কফি চলকে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে মুছে ফেলবেন, যাতে কোনও স্থায়ী দাগ না বসে যায়। Picture Courtesy- AI tool
এত খাটনির পর পরিষ্কার করা বিছানা দীর্ঘদিন ভালো রাখবেন কীভাবে? খুব সোজা। ভালো মানের একটা ওয়াটারপ্রুফ ম্যাট্রেস প্রোটেক্টর কিনে ফেলুন। আর স্নান সেরে ভেজা তোয়ালে বা ভিজে কাপড় কখনও বিছানার ওপর ফেলে রাখবেন না। পরিষ্কার করার সময় কড়া রাসায়নিক আছে এমন ক্লিনার এড়িয়ে চলাই ভালো। এতে কাপড়ের সুতো নষ্ট হয়ে যায়। Picture Courtesy- AI tool
এই সহজ টোটকাগুলো মাথায় রাখলে বেডরুম হয়ে উঠবে নতুনের মতো ঝকঝকে আর জীবাণুমুক্ত। ঘরদোর এমন সতেজ আর গোছানো থাকলে উৎসবের আনন্দ এমনিতে কয়েক গুণ বেড়ে যায়। এবার নিশ্চিন্তে অতিথি আপ্যায়ন করুন। সুন্দরভাবে সাজানো ঘরে উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত কাটুক আনন্দে। Picture Courtesy- AI tool